ব্যর্থতার মাঝেও উজ্জ্বল শ্রেয়াস আইয়ার!

হারতে হারতে ক্লান্ত ভারত। কোনো অধিনায়কই চাইবেন না তাঁর শুরুটা এমনভাবে হোক। তবে নিয়তিকে এড়ানোর সাধ্য যেমন মানুষের নেই, তেমনই সেটা বদলের প্রয়াসটাও মানুষ ব্যতীত কেউ করে না। শ্রেয়াস সেটাই করে চলছেন।

কোথাও কেউ নেই, শুধু একজন ছাড়া। তিনি শ্রেয়াস আইয়ার। ভারতের ব্যর্থতার ভারী বোঝা যার কাঁধে। দল ডুবছে, তবে সেই ডুবন্ত জাহাজকে কোনোমতে তীরে তোলার চেষ্টায় আছেন তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮০ রানের ইনিংসটা সেই চেষ্টারই এক দৃশ্যমান রূপ।

হারতে হারতে ক্লান্ত ভারত। কোনো অধিনায়কই চাইবেন না তাঁর শুরুটা এমনভাবে হোক। তবে নিয়তিকে এড়ানোর সাধ্য যেমন মানুষের নেই, তেমনই সেটা বদলের প্রয়াসটাও মানুষ ব্যতীত কেউ করে না। শ্রেয়াস সেটাই করে চলছেন।

ইশান কিষাণ যে পথ দিয়ে ফিরে গেলেন, সেই পথেই হেঁটে হেঁটে এলেন শ্রেয়াস। ৩৩ রানে দুই উইকেটের পতন ঘটেছে তখন। পরের ১৫ রান তুলতেই আরও একখানা। ভারতের আকাশে শঙ্কার মেঘ। গত ম্যাচে ৭৬ রানের দগদগে ঘা যে শুকোয়নি এখনও। আবারও কি লড়াইয়ের বিন্দুমাত্র রসদ মিলবে না?

শ্রেয়াস তো দায়িত্ব নিতে জানেন, নিতে বাধ্যও। শুরু করলেন ইনিংস গড়ার কাজ। ধীরস্থির মেজাজ, সুযোগের ফায়দা তোলা, উইকেট আগলে রাখা সবদিকেই লেটার মার্কস। শেষদিকে তো ঝড়ের গতিতে রান তুলেছেন। ইংল্যান্ড সিরিজে আদায় করেছেন দুই নম্বর ফিফটি।

৪৯ বলে ৮০ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস এসেছে ব্যাট থেকে। তবে দলের রান যে মাত্র ১৫৮। স্কোরকার্ডটাই বলে দেয় বাকিদের দায় কীভাবে নিজের ব্যাট দিয়ে পোষানোর চেষ্টা করেছেন। একাই টেনেছেন ভারতের ভাঙাচোরা স্কোরবোর্ড। ব্যর্থতার চাপ আর বাকিদের দায়সারা মনোভাব, দুইয়ের মাঝে শ্রেয়াসের প্রয়াস গাড়ি চলছে দুর্বার গতিতেই।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link