হ্যারি ব্রুকের ঝড়ে উড়ে গেল ভারত!

হ্যারি ব্রুকের তাণ্ডব, সৌন্দর্য মিশ্রিত এক ঝড় যেন উপহার দিলেন। ওটাই মূলত ভারত-বধের এক অলিখিত দলিল হয়ে থাকল ম্যাচ শেষে। কাপ্তানের কাঁধে চেপে ইংল্যান্ড তুলে নিল নয় উইকেটের জয়।

হ্যারি ব্রুকের তাণ্ডব, সৌন্দর্য মিশ্রিত এক ঝড় যেন উপহার দিলেন। ওটাই মূলত ভারত-বধের এক অলিখিত দলিল হয়ে থাকল ম্যাচ শেষে। কাপ্তানের কাঁধে চেপে ইংল্যান্ড তুলে নিল নয় উইকেটের জয়।

হারলেই এক ম্যাচ বাকি থাকতে সিরিজ হার। এমন সমীকরণ মাথায় নিয়েই মাঠে নেমেছিল ভারত। তবে জেতার জন্য যা করার দরকার, সেটা আর করতে পারল কই! ৪৮ রানে তিন উইকেটের পতন। টপ অর্ডারের কেউই পারেননি ইনিংস বড় করতে। প্রাপ্তি বলতে এক শ্রেয়াস আইয়ারের ৮০ রান। বলতে গেলে একাই টেনেছেন দলকে। বাকিদের ব্যর্থতার দিনে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ১৫৮।

ইংল্যান্ডের জন্য জয়টা একপ্রকার সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। কোনো মিরাকেল না হলে যে এই রান ডিফেন্ড করা যাবে না, তা জানা ছিল ভারতেরও। তবে ফর্মের তুঙ্গে থাকা ইংল্যান্ডের সামনে সেই মিরাকেল আর কেউ দেখাতে পারেনি। অবশ্য ব্রুকের সামনে সে চেষ্টাও করা যে বৃথা।

১৩ রানের মাথায় জস বাটলারকে ফিরিয়ে একটা আশা দেখেছিল ভারত। তবে ওটাই দুরাশা হয়ে ধরা দিল ব্রুকের আগমনে। ক্রিকেট ব্যাকরণনির্ভর সব শট যেমন খেলছেন, তেমনই দাবি মিটিয়েছেন টি-টোয়েন্টি জামানার। যেন পিওর ক্লাসিক মুড উইথ অ্যাগ্রেশন।

৩৫ বলেই খেলেছেন ৭৯ রানের ইনিংস। আট চার আর চার ছক্কা মিলিয়ে স্ট্রাইক রেট ছিল ২২৫। তার ওপর ফিল সল্টের ফিফটি, এরপর আর ম্যাচে কিছু বাকি থাকে কি? ফলাফল, নয় উইকেটের বিশাল জয়, তাও আবার ৩৭ বল হাতে রেখেই, আর ভারতের কাছ থেকে সিরিজ ছিনিয়ে নেওয়া। তবে সব ছাপিয়ে আরও একবার হ্যারি ব্রুক বোঝালেন, কেন তিনি সেরাদের একজন হয়ে উঠেছেন।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link