নতুন বল হাতে তাসকিনের ভয়ংকর রূপ!

নতুন বলে তাসকিন আহমেদ অন্যরকম। বিধ্বংসী, বেপরোয়া, অপ্রতিরোধ্য। জিম্বাবুয়ে সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেল। টপ অর্ডার একাই গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সুইংয়ের কোনো জবাব ব্যাটারদের কাছে ছিল না।

নতুন বলে তাসকিন আহমেদ অন্যরকম। বিধ্বংসী, বেপরোয়া, অপ্রতিরোধ্য। জিম্বাবুয়ে সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেল। টপ অর্ডার একাই গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সুইংয়ের কোনো জবাব ব্যাটারদের কাছে ছিল না।

ফিটনেসটা অনুকূলে নেই। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ছিলেন না। কানাঘুষা চলেছে তাসকিনকে নিয়ে। সন্দেহ ছিল ত্রিদেশীয় সিরিজে সেরাটা দিতে পারবেন তো? তবে তাসকিন ভিন্নরূপে ধরা দিলেন। প্রথম ওভারেই বুঝিয়ে দিলেন আবুধাবির তীব্র গরমে বল হাতে বাড়তি উত্তাপ ছড়াবেন। অফস্টাম্পের বাইরে পড়ে ভেতরে ঢুকছে বল, বাতাসকে টেক্কা দিয়ে ব্যাটারের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। লাইন-লেংথ একেবারে পারফেক্ট। নতুন বলে এর চেয়ে ভালো কিছু হয় নাকি?

ভালো জায়গায় টানা বল করে গেলে উইকেট পেতে দেরি হয় না। তাসকিনের সময় লাগল ছয়টা বল। প্রথম ওভারের শেষ বলেই ব্রায়ান বেনেটকে তুলে নিলেন। শুধু তাই নয়, বিনিময়ে একটা রানও খরচ করেননি।

প্রথম স্পেলে ছয় ওভার হাত ঘুরিয়েছেন। নতুন বলের ফায়দা লুটে, বেন কারানকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে সাজঘরে পাঠিয়েছেন। ২৪ রানের মাথায় শিকার হয়েছেন তাফওয়াজা সিগা। শুরুতেই জিম্বাবুয়ের সব শেষ হওয়ার উপক্রম।

এরপর ঢাকা এক্সপ্রেস ছুটেছে ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত। ১০ ওভারে ৪৪ রান খরচায় তিন উইকেটই শোভা পেয়েছে নামের পাশে। তবে দুটো মেডেনও আছে।

পুরোটা সময় বল হাতে দারুণ কার্যকর ছিলেন। তাসকিনের ফিটনেস নিয়ে কথা হয়। বয়স বাড়ছে, শরীর ভাঙছে। তবে অভিজ্ঞতার সঞ্চারও তো ঘটছে। আগের মতো গতি নেই ঠিকই, তবে জায়গা বুঝে বল করা আর সুইংয়ের মিশেলে নতুন বলে তাসকিন ভয়ংকর হয়ে উঠেছেন। এই ম্যাচটা সেটা বুঝিয়ে দিল।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link