জিম্বাবুয়ের কাছে পাত্তাই পেল না বাংলাদেশ!

এক ম্যাচেই সব শেষ। ত্রিদেশীয় সিরিজে সবার আগে বাদ পড়ার বন্দোবস্ত প্রায় করে ফেলল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, ভাগ্যের প্রবল জোর না থাকলে আর ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে খেলা সম্ভব না।

এক ম্যাচেই সব শেষ। ত্রিদেশীয় সিরিজে সবার আগে বাদ পড়ার বন্দোবস্ত প্রায় করে ফেলল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, ভাগ্যের প্রবল জোর না থাকলে আর ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে খেলা সম্ভব না।

এদিন আগে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে শুরুতে হয়তো ভাবতে পারেনি শেষটায় তারা মাঠ ছাড়বে জয় নিয়ে। তাসকিন আহমেদের বোলিং তোপে ২৪ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে তারা। এরপর যে আর কিছুই বাকি থাকে না। তবে বাংলাদেশ সেখানেই এক পা পিছিয়ে আসে যেন। সেই সুযোগটাই কাজে লাগান অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলর আর ক্রেইগ আরভিন জুটি।

একাদশে লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ নেই। দলের ভারসাম্য এমনিতেই সংকটাপন্ন। তারপর এক বোলার শর্ট নিয়ে খেলতে হয়েছে। মাঝের ওভারগুলোতে সেই ফায়দা লুটেছে জিম্বাবুয়ে। ১৫০ রানের জুটি আসে টেইলর এবং ইভান্সের কাছ থেকে। দুজনেই সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েও ফিরেছেন আক্ষেপ নিয়ে। তবে স্কোরবোর্ডে কোনো আক্ষেপ ছিল না। ২৭১ রানের বড় সংগ্রহই তোলে জিম্বাবুয়ে।

জবাব দিতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিমের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ওপেনিং জুটি থেকেই ৪৭ পায় বাংলাদেশ। সৌম্য সরকার ফিরলে ভাঙে সেই জুটি, ৪৬ রান করা তামিমও ফিরে যান দ্রুতই। এরপরই সব এলোমেলো।

একের পর এক ব্যাটার আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন। মিডল অর্ডার ভেঙে পড়ে তাসের ঘরের মতো। ৫৫ রান আসে মিডল অর্ডার ব্যাটারদের সম্মিলিত প্রয়াসে। এরপর ম্যাচের কিছু বাকি থাকে কি? ১৭২রানেই তাই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। পরাজয়ের ব্যবধান দাঁড়ায় ৯৯।

হাতে আছে এক ম্যাচ। বিশাল ব্যাবধানে হেরে তলানিতে চলে গেল বাংলাদেশ। এখন জিম্বাবুয়ের সাথে যদি আফগানিস্তান জিতে যায় তাহলে বাংলাদেশের জন্য ধরতে গেলে আশা নেই। কেবল একটা পথই খোলা, জিম্বাবুয়ে যদি আফগানিস্তানকে হারায় আর বাংলাদেশ যদি জিততে পারে আফগানদের সাথে তবেই ফাইনালে যাওয়া সম্ভব বাংলাদেশের জন্য।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link