দুর্দান্ত শতক, অনবদ্য এক গল্প লেখা যায় তা দিয়ে। সেদিকুল্লাহ অটল যেন অটল বিশ্বাসে অবিচল। টেস্ট থেকে ওয়ানডে সবখানেই রেখে যাচ্ছেন নিজের সক্ষমতার ছাপ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সে ধারা বদলানো না।
দলের রান যখন ৫০ তখন গুটি গুটি পায়ে ক্রিজে এলেন। তিন নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। ম্যাচের গতিপথ পালটে দেওয়ার রোলটা তাঁর। ব্যর্থ হলে বিপদে পড়বে দল। তবে ব্যাটের সুর বলে গেল, অটলকে দমানো কষ্টসাধ্য।
ক’দিন আগেই বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে শতক হাঁকিয়েছেন। কোথাও না থাকা আফগানিস্তানকে পরাজয় থেকে দূরে টেনে নিয়ে গেছেন। সেই আত্মবিশ্বাসটা এতটাই প্রবল, ফরম্যাট বদলালেও শতকটা থেকেই গেল।

ইনিংস গড়লেন নিজের মতো করে। কোনো তাড়াহুড়ো নেই, কোনো চাপ নেই। স্রেফ বহমান নদীর মতো বয়ে গেলেন। সুযোগ বুঝে প্রতিপক্ষের পাড়ে ঢেউ হয়েছেন। ফিফটি এসেছে ব্যাটে, তবে তৃপ্তি আসেনি তখনও।
সময়ের সাথে বল আর রানের দূরত্ব কমেছে। ইব্রাহিম জাদরানের সাথে ১৪০ রানের বিশাল জুটিও গড়েছেন। এরপর ব্যাটখানা তুলে ধরেছেন কাঙ্ক্ষিত সেই তিন অঙ্কের সংখ্যা ছুঁয়ে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তিন নম্বর সেঞ্চুরি। দুই ফরম্যাট মিলিয়ে দুই ম্যাচে দুটো। কী অবিশ্বাস্য!
শেষমেশ যখন ফিরলেন রান তখন ১০৯ বলে ১০২। আট চারের সাথে একখানা ছক্কার মার ছিল ইনিংসজুড়ে। আফগানিস্তানের ব্যাটিং অর্ডারের শক্ত এক ভিত হয়ে ধরা দিচ্ছেন অটল। যে সম্ভাবনা ছিল তাঁকে নিয়ে সেটাকেই বাস্তবে রূপ দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।











