রিয়ালের পথে মরক্কোর নায়ক বোনো

বিশ্বকাপের সেরা পারফর্মারদের বিশ্বকাপ পরবর্তী দলবদলে দলে ভেড়ানো যেন রীতিতেই পরিণত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৪ বিশ্বকাপের তারকা হামেস রদ্রিগেজ আর কেইলর নাভাসকে বিশ্বকাপ পরবর্তী গ্রীষ্মকালীন দলবদলে দলে ভেড়ায় রিয়াল।

২০১৮ সালে রিয়ালে যোগ দেন রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা দুই পারফর্মার ইডেন হ্যাজার্ড আর থিবো কর্তোয়াকে। কাতার বিশ্বকাপে এবার রিয়াল আগ্রহী রূপকথার জন্ম দেয়া মরক্কোর রূপকথার নায়ক ইয়াসিন বোনোর প্রতি।

বিশ্বকাপের তারকা রিয়ালে যাবেন এটাই যেন গত কয়েক বিশ্বকাপের রীতি হয়ে গেছে। এবার গ্রীষ্মকালীন দলবদল শেষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কাতার বিশ্বকাপ। তবে বিশ্বকাপ শেষেই আসছে সিজনের মধ্যবর্তী শীতকালীন দলবল।

এবারের বিশ্বকাপের সেনসেশন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো। আসরে ৫ ম্যাচ খেলে মাত্র ১ গোল হজম করেছেন বোনো, সেটিও আবার আত্মঘাতী গোল। তার মানে, প্রতিপক্ষ দলের কেউ এখন পর্যন্ত বোনোকে পরাস্থ করতে পারেননি।

এমন অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে দলকে সেমিফাইনালে তোলার অন্যতম নায়ক বোনো। ৩১ বছর বয়সী এই সেভিয়া গোলরক্ষককে এবার পেতে আগ্রহী রিয়াল মাদ্রিদ। স্পেনের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, ক্লাব এবং জাতীয় দলে অসাধারণ খেলে চলা বোনোর পারফরম্যান্স নজরে এসেছে মাদ্রিদ ম্যানেজমেন্টের। এই মরক্কানকে পেতে তাই আগ্রহী স্প্যানিশ জায়ান্টরা।

রিয়াল মাদ্রিদের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক এখন থিবো কর্তোয়া। বোনোকে কিনলে কর্তোয়ার ব্যাক-আপ হিসেবেই কিনবে রিয়াল। অর্থনৈতিক ভাবে কঠিন সময় পার করা বোনোর ক্লাব সেভিয়াও বর্তমানে খেলোয়াড় বিক্রি করে কঠিন সময় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। যদিও বোনোর সাথে কথাবার্তা চলছে ইংলিশ ক্লাব অ্যাশটন ভিলারও।

বোনো আর এস্টন ভিলা প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউরোর চুক্তি নিয়ে কথাবার্তা বলছে। বোনোকে পেতে তাই এরচেয়ে বেশি হাঁকাতে হবে রিয়ালের। যদিও ব্যাকআপ গোলরক্ষকের জন্য এর চেয়ে বেশি অর্থ খরচ করবে কিনা রিয়াল সেটি নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। বোনোর বিষয়ে রিয়ালের আলোচনা তাই এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link