পাকিস্তানের ভবিষ্যত ওপেনার যারা

সায়েম আইয়ুব আর মোহাম্মদ হারিসের প্রতিভা নিয়ে আলোচনা এর আগেও হয়েছে। এই তরুণ দুই ব্যাটার ইতোমধ্যেই বেশ আলোচিত পাকিস্তানের ক্রিকেট পাড়ায়। দু’জনই আবার এবছর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)ও খেলে গেলেন।

পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সাবেক সভাপতি রমিজ রাজাও মনে করেন, এই দুই তরুণই টি-টোয়েন্টিতে একদিন পাকিস্তানের হয়ে ইনিংস ওপেন করবেন।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে রমিজ রাজা ভূয়সী প্রসংশা করেন এই দুই ওপেনারের। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) পেশওয়ার জালমির হয়ে ইনিংসের সূচনা করছেন। রমিজ বলেন, ‘সায়েম আইয়ুব আর মোহাম্মদ হারিসের সামনে দারুণ ভবিষ্যত রয়েছে। তারা পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের ভবিষ্যত ওপেনার।’

পিএসএলে পেশোয়ার জালমির সর্বশেষ ম্যাচে দলকে দারুণ সূচনা এনে দেন হারিস ও সায়েম। কিন্তু দুর্দান্ত সূচনা পেলেও দুই ওপেনার আউট হবার পর আর দাড়াতে পারেননি জালনির অন্য কোনো ব্যাটার। তাই জালমিকে ম্যাচ হারতে হয় ৫৬ রানে।

২৩ বলে ৪০ রান করে দলকে উড়ন্ত শুরু এনে দেন হারিস। অন্যদিকে পিএসএলে নিজের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোর ৫৩ করে আউট হয়ে যান সায়েমও।

তুই তরুণ ব্যাটারের কেউই ইনিংস বড় করতে না পারায় হতাশ রমিজ, ‘যদিও ভালো শুরু পাবার পর এবং দলের টেম্পো সেট করে দেবার পর তাদের ম্যাচ শেষ করে আসা উচিত ছিলো। ম্যাচ শেষ করে না আসা মানে তাদের প্রতিভার সাথে অবিচার করা।’

পিএসএলের মাধ্যমে যেন আরো তরুণ খেলোয়াড়রা উঠে আসে সেদিকে জোর দিতে বলেছেন সদ্য সাবেক এই পিসিবি সভাপতি, ‘আমি বিশ্বাস করি পাকিস্তান সুপার লিগ ৪০ বছর বয়সের কাছাকাছি খেলোয়াড়দের জন্য নয়। আমরা বন্ধুত্বের জন্য অনেক তরুণ খেলোয়াড় এবং ভবিষ্যতের তারকাদের ক্যারিয়ারকে হুমকির মুখে ফেলছি।’

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link