ইংল্যান্ডের নির্বাচক পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন লুক রাইট!

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হলেই ইংল্যান্ড দলের নির্বাচকের দায়িত্ব ছাড়বেন লুক রাইট - এমনটাই নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। পারিবারিক জীবনে আরও সময় দেওয়া এবং অতিরিক্ত ভ্রমণের চাপ কমানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হলেই ইংল্যান্ড দলের নির্বাচকের দায়িত্ব ছাড়বেন লুক রাইট – এমনটাই নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। তবে কেন এমন সিদ্ধান্ত? ব্যর্থতার জের ধরে নয়, বরং পারিবারিক জীবনে আরও সময় দেওয়া এবং অতিরিক্ত ভ্রমণের চাপ কমানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার।

নভেম্বর ২০২২ সালে ইংল্যান্ডের নির্বাচক প্যানেলে যোগ দেওয়ার পর টানা তিন বছর দায়িত্ব পালন করেছেন রাইট। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সাম্প্রতিক অ্যাশেজ সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে হারের পরই তার সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসে।

ইসিবির বিবৃতিতে আবেগঘন কণ্ঠে রাইট বলেন, ‘ইংল্যান্ড পুরুষ দলের নির্বাচক হিসেবে কাজ করাটা তার জীবনের অন্যতম সম্মানজনক অভিজ্ঞতা। নতুন প্রতিভাদের আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে আনতে পারা নিয়ে তিনি গর্বিত।’

 

৪০ বছর বয়সী লুক রাইট আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেট মিলিয়ে প্রায় দুই দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার শেষে নির্বাচকের ভূমিকায় আসেন। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি।

নির্বাচক হিসেবে তার সময়ে জ্যাকব বেথেল, জেমি স্মিথ, অ্যাটকিনসন ও শোয়াইব বাশির ইংল্যান্ডের হয়ে বিভিন্ন ফরম্যাটে অভিষেকের সুযোগ পান। পাশাপাশি জশ টাং ও ব্রাইডন কার্স পান টেস্ট ক্যাপ।

 

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link