গ্লোবাল টি-টোয়েন্টিতে খেলতে পারবেন পাকিস্তানিরা?

দীর্ঘ‌ সময় অপেক্ষার পর আবারো ফিরতে চলেছে গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি কানাডা। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হবে কানাডার এ ফ্রাঞ্চাইজি লিগটি। ঠিক এই সময়ের মাঝেই আবার শ্রীলঙ্কায় দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলার কথা রয়েছে পাকিস্তানের। অর্থাৎ গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি কানাডার ড্রাফটে সুযোগ পাওয়া পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের শেষমেশ এ টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে আশঙ্কা।

এবারের গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে মোট ১৪ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটার সুযোগ পেয়েছেন। যদিও এরমধ্যে সিংহভাগ ক্রিকেটারই অবসরপ্রাপ্ত কিংবা পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নেই। যেমন শহীদ আফ্রিদি আর শোয়েব মালিক দুটি দলের আইকন প্লেয়ার হিসেবে এ টুর্নামেন্টে অংশ নিবেন।

কিন্তু তবে গ্লোবাল টি-টোয়েন্টির এই ড্রাফটে দল পেয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও আব্দুল্লাহ শফিক, যার পাকিস্তানের লাল বলের ক্রিকেটে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে আছেন। এ ছাড়া জামান খান, সায়েম আয়ুব, আজম খান অতি সাম্প্রতিককালে পাকিস্তানের হয়ে সাদা বলের ক্রিকেটে খেলেছেন। তাই পাকিস্তানের সিংহভাগ ক্রিকেটার শেষ পর্যন্ত পিসিবি থেকে অনাপত্তি পাবেন কিনা, তার জন্য কিছুটা অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র জানাচ্ছে, পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের এ লিগ খেলার জন্য অনাপত্তি পত্র পাওয়া নির্ভর করছে ফিটনেস আর টেস্ট সিরিজের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রামের ভাবনায়। অর্থাৎ যারা টেস্ট সিরিজের দলে জায়গা পাবেন, তাঁরা আর শেষ পর্যন্ত গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি খেলার অনাপত্তি পত্র পাবেন না।

ভ্যানকুভার নাইটসের আইকন ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ান পাকিস্তানের টেস্ট দলের সদস্য। যদিও সাম্প্রতিক কালে সরফরাজ আহমেদের কাছে একাদশে জায়গা হারিয়েছেন। তাই ধারণা করা হচ্ছে, কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টিতে অংশ নিতে স্কোয়াড থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটার।

গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগের প্রথম দুই আসর হয়েছিল ২০১৮ ও ২০১৯ সালে। কোভিড মহামারীর কারণে পরের তিন বছর আর কোনো আসর হয়নি। তবে লম্বা বিরতির পর অবশেষে আবারো মাঠে গড়াচ্ছে এ আসর। কানাডার এ ফ্রাঞ্চাইজি লিগের তৃতীয় আসরে বাংলাদেশ থেকেও খেলবেন দুই জন। মন্ট্রিয়েল টাইগার্সের হয়ে খেলবেন সাকিব আল হাসান। লিটন কুমার দাসকে দলে নিয়েছে সারে জ্যাগুয়ার্স।

এ ছাড়া এই টুর্নামেন্টে ক্রিস গেইল, আন্দ্রে রাসেল, ক্রিস লিন, অ্যালেক্স হেলসের মতো তারকার পাশাপাশি খেলবেন  আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে যাওয়া তারকারাও। সেই তালিকাতে আছে শহিদ আফ্রিদি, হরভজন সিংয়ের নাম।

লেখক পরিচিতি

বাইশ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্ত অঙ্কন করার চেষ্টা করি...

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

আফগান ঘূর্ণির মায়াজালে ধরাশায়ী হবে মিরাজ-রাজারা?

তবে স্পিনের লড়াইয়ে বাংলাদেশকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দুই বছরের ওয়ানডে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের স্পিনাররা শিকার করেছেন মোট ৮২টি উইকেট। যদিও চলতি বছরে ১২ ম্যাচে স্পিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২৬ উইকেট, ২০২৫ সালে ১১ ম্যাচে রিশাদ, মিরাজ, তানভীর, নাসুমদের শিকার ছিল ৫৬ উইকেট। গত বছর বাংলাদেশের অধিকাংশ ম্যাচেই স্পিন সহায়ক উইকেট থাকলেও চলতি বছরে দলটি খেলেছে তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটে। ফলে কন্ডিশনের সহায়তা পেলে বাংলাদেশের স্পিনাররাও যে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয় নামিয়ে আনতে সক্ষম, তার ইঙ্গিত মিলছে পরিসংখ্যানেই। রিশাদ হোসেনের আক্রমণাত্মক লেগ স্পিন, মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত অফ স্পিন, তানভীর ইসলামের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনের সঙ্গে নতুন সংযোজন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বৈচিত্র্য আর কৌশলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে মরণকামড় দিতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link