৩৮ বছর বয়সেও সৌদি আরবকে ‘না’ বলতে পারেন মদ্রিচ

বয়সটা ৩৮ ছুঁই ছুঁই। কিন্তু লুকা মদ্রিচের খেলায় তা বোঝার উপায় কই! এই বয়সে যখন বেশির ভাগ ফুটবলারই ঝুঁকছেন সৌদি প্রো লিগের দিকে তখন রিয়াল মাদ্রিদের সাথে আরো এক বছর চুক্তি বাড়ালেন এই ক্রোয়াট তারকা।

২০২৪ সালের জুন মাস অবদি রিয়ালের সাদা জার্সিতেই মাঠ মাতাবেন ২০১৮ সালের ব্যালন ডি অর জয়ী এই তারকা।

চলতি মাস শেষেই রিয়ালের সাথে চুক্তি শেষ হবার কথা ছিল লুকা মদ্রিচের। তাই সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলাল বেশ আগ্রহী ছিল মদ্রিচের প্রতি। বার্ষিক ১০০ মিলিয়ন ইউরোর লোভনীয় প্রস্তাবও দেয়া হয়েছিল মদ্রিচকে।

কিন্ত অর্থের ঝনঝনানি উপেক্ষা করে আরো একটা বছর ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ফুটবলটা খেলার সিদ্ধান্ত নিলেন মদ্রিচ।

২০১২ সালে টটেনহাম হটস্পার্স থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছিলেন এই মিডফিল্ডার। রিয়ালের বিখ্যাত সাদা জার্সি গায়ে ৪৮৮ ম্যাচে মাঠে নেমেছেন মদ্রিচ।

জিতেছেন পাঁচটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, তিনটি লা লিগাসহ জিতেছেন ২৩ টি মেজর শিরোপা। দীর্ঘদিন ধরে রিয়ালের মাঝমাঠে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মদ্রিচ। তাঁর সাথে টনি ক্রুস আর ক্যাসেমিরোর জুটি বিশ্বেরই অন্যতম সেরা মাঝমাঠ ছিল অনেক দিন।

সৌদি আরবে যাবার গুঞ্জন থাকলেও মদ্রিচ বারবারই বলে এসছিলেন যে রিয়ালেই আরো কিছুদিন খেলতে চান তিনি। কিন্তু তাঁর সাবেক সতীর্থ রোনালদো, বেনজেমারা যখন একে একে সৌদি আরবে পাড়ি জমাচ্ছেন তখন অনেকেই ভেবেছিলেন সৌদি আরবেই যাচ্ছেন  মদ্রিচ।

তার ওপর জুড বেলিংহামের আগমনে রিয়ালে মদ্রিচের সুযোগ কতটা হবে তাও ছিল সংশয়ে। তবে আরো একটা বছর মদ্রিচের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে এগোতে চায় রিয়াল।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link