৬ বছর পর বল হাতে কোহলি!

বিরাট কোহলি বল করছেন৷ দৃশ্যটা মোটেই নিয়মিত নয়৷ ক্যারিয়ারে বল যে একেবারে করেননি, ঠিক তা নয় বটে। একদিনের ক্রিকেটে গুণে গুণে ৪৮ টা ইনিংসে বল হাতে তুলে নিয়েছেন। তবে ২০০৯ সালে প্রোটিয়াদের দূর্গ সুপারস্পোর্ট পার্কে যে প্রথম বারের মতো বল হাতে তুলে নিয়েছিলেন, সেই একই দৃশ্যের শেষ দৃশ্যায়ন ঘটেছিল ২০১৭ সালে, শ্রীলঙ্কার প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। 

এর থেকে সময়ের স্রোতে অর্ধযুগ পেরিয়ে গেলেও এক বারের জন্যও বোলিং প্রান্তে বোলার কোহলির আর দেখা মেলেনি। তবে দীর্ঘ সময় বাদে, আবারো বল হাতে ফিরলেন কোহলি। পুনেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে হাতে তুলে নিলেন বল। করলেন ৩ টি বল। 

ঘটনাটা ইনিংসের নবম ওভারের। বোলিং প্রান্তে এসেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। ঐ ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলটা ছিল বাউন্ডারি। তৃতীয় বলে ব্যাক ড্রাইভে চার মারেন লিটন। কিন্তু সেটি আটকাতে গিয়েই নিজের সর্বনাশা ডেকে আনেন পান্ডিয়া৷ চোট পেয়ে রীতমত পা ফেলতেই পারছিলেন না তিনি। তবুও টেপ পেঁচিয়ে আবারো বোলিং করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু আর পেরে ওঠেননি। মাঠ থেকেই উঠে যেতে হয়ে তাঁকে। 

পান্ডিয়ার এই চোটের পরই তাঁর অসমাপ্ত ওভার করতে আসেন বিরাট কোহলি। ঐ ওভারেই বাকি ৩ বল তাঁকেই করতে হয়। আর তাতে ৬ বছর পর বল হাতে নিয়ে খুব একটা খারাপ করেননি কোহলি। ৩ বলে দেন ২ রান। 

ব্যাটিং রাজ্যে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ধরে রাজত্ব চালানো বিরাট কোহলির জন্য বোলিংটা অবশ্য নতুন কিছু নয়। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৪ টা উইকেট। 

তাঁর প্রথম শিকার আবার ইংলিশ কিংবদন্তি ব্যাটার অ্যালিস্টার কুক। এ ছাড়া তাঁর বাকি ৩ শিকারও বেশ আলোচিত নাম। একবার করে আউট করেছেন কেভিন পিটারসেন আর কুইন্টন ডি কক কে। আর তাঁর একবার বোল্ড হয়ে ফিরেছিলেন ২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যান অব দ্য ফাইনাল ক্রেইগ কিসওয়েটার। 

লেখক পরিচিতি

বাইশ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্ত অঙ্কন করার চেষ্টা করি...

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link