অভিষেকের দিন রঙিন জ্যাকব ডাফি!

একে তো অভিষেকের চাপ, তার উপর জশ হ্যাজেলউডের শূন্যস্থান পূরণ, প্রতিপক্ষ আবার সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ যাদের লক্ষ্য ৩০০ করা। এতসব চ্যালেঞ্জকে স্রেফ তুড়িতে উড়িয়ে দিলেন জ্যাকব ডাফি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএলে) প্রথমবার এসেই বুঝিয়ে দিলেন মঞ্চটা তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিল এতদিন।

একে তো অভিষেকের চাপ, তার উপর জশ হ্যাজেলউডের শূন্যস্থান পূরণ, প্রতিপক্ষ আবার সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ যাদের লক্ষ্য ৩০০ করা। এতসব চ্যালেঞ্জকে স্রেফ তুড়িতে উড়িয়ে দিলেন জ্যাকব ডাফি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএলে) প্রথমবার এসেই বুঝিয়ে দিলেন মঞ্চটা তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিল এতদিন।

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর ঘরের মাঠ। বিরাট কোহলিদের প্রথম এসাইনমেন্ট। তবে খুব একটা স্বস্তিতে থাকার উপায় নেই বোলিং বিভাগের। দলের সেরা অস্ত্রটা তারা এখনও হাতে পায়নি। হ্যাজেলউডকে ছাড়া কেমন যেন অসম্পূর্ণ বোলিং আক্রমণ।

এর মাঝেই মাথায় অভিষেক ক্যাপটা উঠল ডাফির। তবে কেউ ঘুনাক্ষরেও টের পায়নি তখনও ক্যাপটা উঠেছে যোগ্য লোকের মাথায়। যিনি কিছুক্ষণ বাদেই চেন্নাইস্বামির উচ্ছ্বাস বাড়িয়ে দেবেন বহুগুণ।

নতুন বল হাতে উঠল তাঁর, এরপরই ভয় হয়ে এলেন হায়দ্রাবাদের ব্যাটারদের জন্য। ৩০০ রান যাদের মননে ধারণ করা, তাদের সামনে দাঁড়িয়ে ধ্বংসলীলায় মাতলেন ডাফি।

অভিষেক শর্মাকে দিয়ে শুরু, একই ওভারে তুলে নিলেন ট্রাভিস হেড নামক মাথাব্যথাকে। টি-টোয়েন্টি যুগের সেরা দুই ব্যাটারকে পকেটে পুরেই ক্ষান্ত হলেন না। পাওয়ার প্লেতে হায়দ্রাবাদের স্কোরকার্ডের রিমোটটা রাখলেন নিজের হাতেই। পরের ওভারে ফিরে এসেই নিতিশ কুমার রেড্ডিকেও সাজঘরে পাঠানোর বন্দোবস্ত করে ফেললেন। হায়দ্রাবাদের মেরুদণ্ডই যে নিজের হাতে চূর্ণবিচূর্ণ করেছেন।

সাত ওভারের মধ্যেই নিজের বোলিং কোটা শেষ করে ফেলেছেন ডাফি। হায়দ্রাবাদের যতটুকু ক্ষতি করার ওই সময়েই করেছেন। শেষমেষ চার ওভারে ২২ রানের বিনিময়ে তিনখানা শিকার বাগিয়ে নিয়ে আরসিবির সমস্ত দুশিন্তা ধূলোয় মিশিয়ে দিয়েছেন। হ্যাজেলউড নেই, এই অভাবটা মুছে দিয়ে বলে গেলেন, ভয় কি আমি তো আছি!

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link