দারুণ শুরুর পরও শরিফুলের সাদামাটা অভিষেক

শেষ ওভারটাকে বাদ দিলে পাকিস্তান সুপার লিগে শরিফুলের অভিষেককে দারুণ বলতে খুব বেশি দ্বিধা হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

ওয়াইড ইয়োর্কার করতে গিয়ে শরিফুল ইসলাম নিজের অভিষেকটা খানিকটা বিবর্ণ করে দিলেন। যদিও দিনের শুরুটা তিনি করেছিলেন দূর্দান্তভাবে। শেষ ওভারটাকে বাদ দিলে পাকিস্তান সুপার লিগে শরিফুলের অভিষেককে দারুণ বলতে খুব বেশি দ্বিধা হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

নিলাম থেকে পেশওয়ার জালমি দলে নিয়েছিল আরেক বাংলাদেশি পেসার নাহিদ রানাকে। কিন্তু তার বদলে টুর্নামেন্টে শুরু আগ মুহূর্তে দলে নেওয়া শরিফুলকে একাদশে জায়গা দেয় পেশওয়ার। নতুন বলটা তুলে দেওয়া হয় তার হাতে। সুইংয়ের মায়াবী আবহ সৃষ্টি করে শরিফুল তার প্রতি দলের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন যথাযথভাবে।

প্রথম পাওয়ার-প্লেতে তিন খানা ওভার করেছেন শরিফুল। তাকে দিয়ে একটানা ওভার করিয়েছেন অধিনায়ক বাবর আজম। কারণটা একেবারে সরল। একমাত্র শরিফুলই যুতসই বোলিংটা করে গেছেন পাওয়ার প্লে-র প্রথম ছয় ওভারে। পিন্ডিজের দুই ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইয়াসির খান গড়েন এক অনবদ্য জুটি।

তারা দুইজনে প্রথম পাওয়ার প্লে-তে স্কোরবোর্ডে জমা করেন ৬৩ রান। সেই ৬৩ রানের মধ্যে তিন ওভারে শরিফুলের খরচা ছিল মোটে ২০টি রান। অ্যারন হার্ডি, আলি রাজারা রান বিলিয়েছেন তখন মুক্তহস্তে। তিন ওভারে স্রেফ একটি করে চার-ছক্কা হজম করেছিলেন তিনি নতুন বল হাতে। যতটুকু চাপে ফেলা যায় ব্যাটারদের, তার পুরোটাই তিনি একাই করেছেন।

তবে শেষ বিকেলে স্লগ ওভারে, খানিকটা ছন্দচ্যুতি ঘটে শরিফুলের। ব্যাটাররার হিটিং রেঞ্জের বাইরে বল রাখতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারান। ওয়াইড, নো বল সহ ওই ওভারে বল ছোড়েন মোট নয়টি বল। তবুও একটি বাউন্ডারিতে স্রেফ ১১টি রান খরচা করেন বাংলাদেশি এই বা-হাতি বোলার।

পিন্ডিজের ২১৪ রানের সংগ্রহ শরিফুলের খরচা মোটে ৩১টি রান। দলের ছয় বোলারের মধ্যে তিনিই ছিলেন দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান বিলানো বোলার। স্রেফ একটি উইকেট প্রাপ্তিই শরিফুলের পিএসএল অভিষেককে বলা যেতে পারত শতভাগ রঙিন।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link