এসেছে নতুন শাসক, তাঁকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান!

৮০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংস। এই বৈভব সুরিয়াভানসিকে থামাবে এমন সাধ্য আছে কার? ব্যাট হাতে নামলেই যে মানব চরিত্রটাকে ড্রেসিংরুমে রেখে আসেন তিনি। আর বাইশ গজে ধারণ করেন নতুন নাম, 'প্রলয়ঙ্কারী ঝড়'। আর এরপরই প্রতিপক্ষ ভেঙে চুরে চুরমার।

৮০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংস। এই বৈভব সুরিয়াভানশিকে থামাবে এমন সাধ্য আছে কার? ব্যাট হাতে নামলেই যে মানব চরিত্রটাকে ড্রেসিংরুমে রেখে আসেন তিনি। আর বাইশ গজে ধারণ করেন নতুন নাম, ‘প্রলয়ঙ্কারী ঝড়’। আর এরপরই প্রতিপক্ষ ভেঙে চুরে চুরমার।

ফরম্যাটটা কি সেটা দেখার সময় বোধহয় নেই সুরিয়াভানশির। বলটাকে মারতে হবে, সীমানা ছাড়া করতে হবে, এটাই যে তাঁর মূলমন্ত্র। যুব ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে সেই মন্ত্রবলেই তুলে নিলেন এক দূর্দান্ত শতক।

টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া ভারত পূর্বাভাস ছাড়াই ঝড় তোলে শুরু থেকেই। অবশ্য এটা তো হওয়ারই কথা। সূর্যের মতো যখন জ্বলে ওঠেন সুরিয়াভানসি তখন সেই উত্তাপে পুড়ে ছাই হতে বাধ্য হয় প্রতিপক্ষ। এ যে এখন অঘোষিত সত্য।

৩২ বলে ফিফটি, এরপর আরও বিদ্ধংসী হলো বৈভবের ব্যাট। শতক হাঁকানোর জন্য খরচ করলেন স্রেফ ৫৫টা বল। তবুও যেন তৃষ্ণা মেটেনি তার। আরও ভয়ঙ্কর রূপে হাজির হলেন পরের সময়টাতে। পরের ৫০ তুলতে বল খরচা করলেন মাত্র ১৬টা বল।

তবুও থামানোর নাম নেই। চোখে মুখে ক্লান্তির বিন্দুমাত্র চিহ্ন নেই। শরীর জুড়ে কেবল বিশ্বজয়ের নেশা। খুনে দৃষ্টিতে বোলারদের ছোড়া বলটাকে বেধড়ক পিটুনি দেওয়ার প্রস্ততি।

শেষমেষ থামানো গেল ঝড়টাকে। তবে তার আগে যে তছনছ হয়েছে ইংল্যান্ডের সাজানো পরিকল্পনা। ৮০ বলে প্রায় ২১৯ স্ট্রাইক রেটে বৈভব করেছেন ১৭৫ রান। নামের পাশে ১৫ চার আর ১৫ ছক্কা। সুরিয়াভানশি যেন এক বিশেষ বার্তা দিয়ে তবেই সাজঘরে ফিরলেন। বার্তা এমন, এসেছে নতুন রাজা, সিংহাসনটা তাঁকে ছেড়ে দাও।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link