ইউনাইটেড নয়, দিবু মার্টিনেজ যাবেন পিএসজিতে!

এই রদবদল যদিও বা শেষ অবধি বাস্তবে রুপান্তরিত না হয়, তবুও অ্যাস্টন ভিলা ছাড়তে হবে এমিলিয়ানোকে।

এমিলিয়ানো মার্টিনেজের গন্তব্য হতে পারে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। অবাক হওয়ার বিশেষ কারণ নেই। সমীকরণ আছে, সম্ভাবনাও আছে। এখন সেসব বাস্তবে রুপান্তরিত হবে কি-না তা নিয়ে সংশয়ও আছে। মোদ্দাকথা বিশ্বকাপ জয়ী গোলরক্ষককে ঘিরে দলবদলের নানা গুঞ্জন ডালপালা মেলতে শুরু করেছে।

দিবু মার্টিনেজের বর্তমান ক্লাব অ্যাস্টন ভিলা তরুণ কোন গোলরক্ষককে নিজেদের ডেরায় ভেড়াতে চায়। সে জন্যে মার্টিনেজের প্রস্থান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। যদিও তার সাথে ক্লাবের চুক্তির মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত। অতএব মার্টিনেজের প্রস্থানের জন্যে তাকে বিক্রি করতে হবে ইংলিশ ক্লাবটিকে।

সে দৌড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নাম বেশ জোরালভাবেই শোনা যাচ্ছিল। তবে রেড ডেভিলরা মূলত ধারে এমি মার্টিনেজকে নিতে চেয়েছিল, আন্দ্রে ওনানার বিকল্প হিসেবে। কিন্তু অ্যাস্টন ভিলা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের জন্যে চেয়ে বসেছে ৩০ মিলিয়ন ইউরো। ম্যানচেস্টার একটু ইতস্তত বোধ করছে ৩২ বছর বয়সী একজন গোলরক্ষকের জন্যে এত বিপুল অর্থ ব্যয়ে।

তাইতো সৌদি প্রো লিগের ক্লাবও যুক্ত হয়েছে এমিলিয়ানোকে ক্রয়ের তালিকায়। কিন্তু ওদিকে আরেকটা সম্ভাবনার উৎপত্তি ঘটেছে। ফরাসি ক্লাব পিএসজি ছাড়ার একটা সুপ্ত বাসনা লালন করছেন ইতালিয়ান গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোন্নারুমা। ইউরোপীয় ফুটবলের বিস্তৃত ইতিহাস সমৃদ্ধ ক্লাব হিসেবে ম্যানচেস্টারে যাওয়ার ইচ্ছে রয়েছে তার।

এই ইচ্ছেই বরং এমিলিয়ানো মার্টিনেজের জন্যে পিএসজির দরজা উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। তবে সদ্যই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার পর ডোন্নারুমার পিএসজি ছাড়ার গুঞ্জন অবান্তর মনে হতে পারে। কিন্তু এমন একটা সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে বটে। বর্তমান ইউরোপীয়ান ক্লাব ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন গোলরক্ষককে নিশ্চিতরুপেই দলে ভেড়াতে চাইবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

আর তার ফেলে রেখে যাওয়ার শূন্যস্থান পূরণে পিএসজি এমিলিয়ানো মার্টিনেজের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছে। তাদের আবার অর্থ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। চাইলেই অ্যাস্টন ভিলার চাহিদা মেটাতে সক্ষম ফ্রান্সের ক্লাবটি। এই রদবদল যদিও বা শেষ অবধি বাস্তবে রুপান্তরিত না হয়, তবুও অ্যাস্টন ভিলা ছাড়তে হবে এমিলিয়ানোকে।

সেক্ষেত্রে অনিচ্ছা থাকার পরও সৌদির কোন এক ক্লাব হতে পারে এমিলিয়ানোর নতুন গন্তব্য। সেক্ষেত্রে অর্থের অভাব হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। অ্যাস্টন ভিলার প্রত্যাশিত অর্থলাভের পাশাপাশি, মার্টিনেজও হবেন আর্থিকভাবে লাভবান- তা প্রায় নিশ্চিত।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link