সস্তি ফিরল বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ডেরায়, নর্দান টেরিটরি স্ট্রাইকের বিপক্ষে নিজেদের খেলা চতুর্থ ম্যাচে পেল ২২ রানের জয়। তবে সত্যিকার অর্থেই সস্তি মিলল কি!
টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে নর্দানের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে আসে বাংলাদেশ। শুরুতেই নাইম শেখ আর জিসানের ব্যাটে ঝড় ওঠে। মাত্র ৩.৩ ওভারে ওপেনিং জুটি থেকে ৫৫ রান। স্ট্রাইক রেট সমালোচনায় জর্জরিত নাইম এদিন ১১ বল খেলে করেন ২৫ রান। তবে তিনি আউট হওয়ার পরেই যেন থমকে যায় রানের চাকা।
সাইফ হাসান ১০ বলে খেলে ৩ রান করে দলের মোমেন্টাম নষ্ট করে ফেরেন সাজঘরে। ২৩ বলে ৩০ রান করে জিসান আলম ফিরলে দলের অবস্থা দাঁড়ায় ৯.২ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ৭৭ রান।

মাঝের সময়টাতে আফিফ হোসেন আর নুরুল হাসানের একটা ধীরগতির জুটি গড়ে ওঠে। আফিফ হোসেন ব্যাট করতে থাকেন ওয়ানডে মেজাজে। ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরতে থাকা সোহানের ব্যাট থেকে আসে ২৩ বলে ৩৫ রানের ইনিংস। আফিফের ৪০ বলে ৪১ আর শেষদিকে ইয়াসির রাব্বির ১৩ বলে ২২ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ তোলে ১৭২ রানের পুঁজি।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারাতে থাকে নর্দান। ডার্সি শর্ট এবং ওয়েদারএইড—এই দুই ওপেনারকে ১৬ রানের মধ্যেই ফেরান রিপন মন্ডল এবং হাসান মাহমুদ। তবে ঢাল হয়ে দাঁড়ান জর্দান সিল্ক এবং কনার ক্যারল। তাঁদের চতুর্থ উইকেট জুটিতে যোগ হয় ৮২ রান।
তবে ৪৩ রানে ক্যারল এবং ৪৮ রান করা জর্দান রাকিবুলের শিকার হয়ে ফিরে গেলে সম্ভাবনার আলো নিভে যায় নর্দানের। শেষমেশ তারা থামে ১৫০ রানে। রাকিবুল, তোফায়েল এবং হাসান নেন দু’টি করে উইকেট।

ব্যাট হাতে বাংলাদেশ যেভাবে শুরু করেছিল তাতে মনে হয়েছিল ২০০ রান অন্ততপক্ষে করবে তারা। তবে সাইফ-আফিফের দায়িত্বজ্ঞানহীন ইনিংসের কারণে তা আর হয়ে ওঠেনি। তাই তো দিনশেষে দল জিতলেও আক্ষেপটা তো থেকেই যায়।











