হাসপাতালে অভিষেক, বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার শঙ্কা?

 জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই অসুস্থ ছিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তবু খেলেছিলেন। কিন্তু ম্যাচের পর পরিস্থিতি নাকি আরও খারাপের দিকে গড়ায়। জ্বরে কাবু অভিষেককে তাৎক্ষণিক স্যালাইন দেওয়া হয়।

বিশ্বকাপের উত্তাপ যখন ধীরে ধীরে বাড়ছে, ঠিক তখনই ভারতীয় শিবিরে চিন্তার ভাঁজ। তারকা ব্যাটার অভিষেক শর্মা পেটের সংক্রমণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নামিবিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তাঁর খেলাই এখন অনিশ্চিত।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই অসুস্থ ছিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তবু খেলেছিলেন। কিন্তু ম্যাচের পর পরিস্থিতি নাকি আরও খারাপের দিকে গড়ায়। জ্বরে কাবু অভিষেককে তাৎক্ষণিক স্যালাইন দেওয়া হয়।

এরপর দিল্লীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। সমস্যা ঠিক কী, তা নিশ্চিত হতে চলছে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা। বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র পিটিআইকে জানিয়েছে, কবে ছাড়া পাবেন সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর খেলা আপাতত অনিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে। এমনকি ১৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচেও তিনি ফিরবেন কি না, সেটা নিশ্চিত করে বলার উপায় নেই।

অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দলের অনুশীলনেও দেখা যায়নি অভিষেককে। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর দিনটাও ছিল বিবর্ণ—গোল্ডেন ডাক। ব্যাট হাতে শূন্য রানে ফিরে যাওয়ার পর আর মাঠেও নামেননি। ভারতের বোলিং ইনিংসে পুরো সময়টা তাঁর জায়গায় ফিল্ডিং করেছেন সাঞ্জু স্যামসন।

তবে ভারতীয় শিবির এখনো আশাবাদী। মঙ্গলবার দিল্লিতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সহকারী কোচ রায়ান টেন ডেসকাটে বলেন, ‘অভিষেকের পেটের সমস্যাটা এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেনি। তবে আমরা আশাবাদী, দুই দিনের মধ্যে সে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হবে।’

কোচের কণ্ঠে আশার সুর থাকলেও বাস্তবতা বলছে, সময় খুব বেশি নেই। এই অনিশ্চয়তার মাঝেই দলে যোগ দিয়েছেন ওয়াশিংটন সুন্দর। নামিবিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় গ্রুপ ম্যাচের আগে তাঁকে স্কোয়াডে নেওয়া হয়েছে।

নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি হয়তো কাগজে-কলমে সহজ, কিন্তু দলগত ভারসাম্য আর ফিটনেসের এই টানাপোড়েন ভারতের প্রস্তুতিকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। অভিষেক শর্মা সময়মতো সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। বিশ্বকাপের মঞ্চ কাউকে খুব বেশি সময় দেয় না।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link