পাকিস্তানের কাছে নাস্তানাবুদ আফগানিস্তান

ব্যাটে-বলে আধিপত্য দেখিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় তুলে নিল পাকিস্তান। হারিস রউফ, শাহিন আফ্রিদির আগুনে বোলিংয়ে একপ্রকার পর্যদুস্ত হয়েই আত্মসমর্পণ করলো রশিদ খানের দল।

ব্যাটে-বলে আধিপত্য দেখিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় তুলে নিল পাকিস্তান। হারিস রউফ, শাহিন আফ্রিদির আগুনে বোলিংয়ে একপ্রকার পর্যদুস্ত হয়েই আত্মসমর্পণ করলো রশিদ খানের দল।

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ, টসে জিতে প্রত্যাশিত ভাবেই ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন সালমান আলী আঘা। শাহিবজাদা ফারহানের ব্যাটে ঝড়ো শুরু পায় পাকিস্তান। যদিও ২১ রানে থামতে হয় তাঁকে। সায়িম আইয়ুব ব্যর্থ হয়েছেন, ফখর জামান ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। অগত্যা সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন সালমান।

একপ্রান্তে কাপ্তানের কাপ্তানি চলতে থাকে, স্ট্রাইক রোটেট করে খেলেছেন, আবার সুযোগ বুঝে রশিদ খানের উপর চড়াও হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ৩৬ বলে ৫৩ রানে অপরাজিত থেকেছেন, অধিনায়কসুলভ এক ইনিংস।

পাকিস্তান ফিনিশিংটা বেশ ভালো করেছে। যার পেছনের কারিগর অবশ্য নাওয়াজ, হারিস, ফাহিমদের ইমপ্যাক্টফুল ইনিংস। তাঁদের ব্যাটে ভর করেই পাকিস্তান ১৮২ রানের সংগ্রহ পায়।

শারজাহর এই উইকেটে এই রান চেজ করাটা যে খুব একটা সহজ হবে না তা অনুমেয়ই ছিল। ইব্রাহিম জদরান নয় রান করে ফিরে গেলে তা আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তবে পাকিস্তানের ভয়ঙ্কর বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ এবং সাদিকুল্লাহ অটল। তাঁদের জুটি থেকে আসে ৫১ রান।

৩৮ রান করা গুরবাজের বিদায়ের পর অবশ্য ম্যাচ অনেকটাই ছিটকে যায়। অটল এবং রাসুলি চেষ্টা করেও পেরে ওঠেননি। হারিস রউফের করা ১২তম ওভারই আফগানদের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয়। অটল এবং করিম জানাতকে ফেরান তিনি। পরের ওভারের প্রথম বলে সুফিয়ান মুকিমের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন রাসুলি।

শেষদিকে রশিদ খানও একটা ব্যর্থ লড়াই চালান। ১৬ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলে কেবলই ব্যবধান কমিয়েছেন। ৫০ রানের ব্যবধানে আট উইকেট হারিয়ে ফেলা আফগানিস্তানের শেষপর্যন্ত হারতে হয়েছে ৩৯ রানে।

সিরিজে পাকিস্তানের শুরুটা দারুণ হলো। দলগত পারফরম্যান্সে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়লো আঘার দল। আরও একবার বুঝিয়ে দিল এই প্রতিযোগিতায় তারাই ফেবারিট।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link