আল হিলালে যাচ্ছেন মোহাম্মদ সালাহ?

মোহাম্মদ সালাহ তাহলে আল হিলালেই যাচ্ছেন? এখনও নিশ্চিত নয় কিছু, তবে ট্রান্সফার মার্কেটে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে এমন গুঞ্জন।

মোহামেদ সালাহ তাহলে আল হিলালেই যাচ্ছেন? এখনো নিশ্চিত নয় কিছু, তবে ট্রান্সফার মার্কেটে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে এমন গুঞ্জন। বিশেষ করে নেইমার জুনিয়রের সঙ্গে আল হিলালের চুক্তি বাতিলের পর থেকে এই সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠেছে।

চলতি মৌসুম শেষে লিভারপুলের সঙ্গে সালাহর চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। এখন পর্যন্ত চুক্তি নবায়নের কোন ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি, দু’পক্ষের কেউই আসলে সম্পর্কের মেয়াদ বাড়াতে সেভাবে আগ্রহী নয়। তাছাড়া সাম্প্রতিক কিছু সাক্ষাৎকারেও লিভারপুল ছাড়ার বার্তা দিয়ে রেখেছেন এই ফরোয়ার্ড।

এমন যখন পরিস্থিতি, তখন আল হিলাল নেইমারকে বিদায় জানিয়ে নতুন তারকার আগমণ সহজ করেছে। ২০২৩ সালে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে ব্রাজিলিয়ানকে দলে ভিড়িয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু চোটের কারণে গত প্রায় দুই বছরে স্রেফ সাত ম্যাচ খেলেছেন তিনি। একরকম বিরক্ত হয়েই তাই তাঁকে ছোটবেলার ক্লাবে সান্তোসের কাছে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে ছেড়ে দিয়েছে ক্লাবটি।

এতে একদিকে যেমন বিদেশি ফুটবলারের স্লট ফাঁকা হয়েছে, তেমনি বেতনের বোঝাও অনেকাংশে কমে এসেছে। আপাতত অবশ্য অপেক্ষা করতে হবে আল হিলালকে, মৌসুম শেষ হলে তবেই সালাহর সঙ্গে আলোচনায় বসবে তাঁরা। বলা বাহুল্য, মোটা অংকের পারিশ্রমিক দিতে এক পায়ে রাজি আছে সৌদি প্রো লিগের টপাররা। মিশরীয় তারকা তাই রাজি না হওয়ার কারণ নেই।

মূলত ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আল হিলাল নতুন উদ্যমে স্কোয়াড সাজাতে শুরু করেছে। আলেক্সান্ডার মিত্রোভিচ, জোয়াও ক্যান্সেলো, রুবেন নেভেস তো আছেনই। সাথে মোহাম্মদ সালাহর মত কাউকে পেয়ে গেলে রিয়াল মাদ্রিদকেও হয়তো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়া সম্ভব হবে। তবে সালাহকে না পেলে অন্য কোন নামী ফুটবলারকে প্রস্তাব দিতে দ্বিধা করবে না তাঁরা।

অন্যদিকে অলরেড পোস্টার বয় অবশ্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আর প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে পূর্ণ মনোযোগী। দুই জায়গাতেই সেরা অবস্থানে আছে তাঁর দল। যদি, এটাই হয় শেষ মৌসুম, তাহলে ঘরোয়া এবং ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিতে তবেই বিদায় নিতে চাইবেন তিনি।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link