অ্যালান ডোনাল্ড, বাংলাদেশের ‘শেষ’ ভালবাসা

প্রথম প্রেম, শেষ ভালবাসা। প্রিয়তমার চোখের কাজলও শুকিয়ে যেতে পারে। কিন্তু, অ্যালান ডোনাল্ডের আবেদন যেন শেষ হবার নয়। অন্তত বাংলাদেশ দলে, বা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে। তাই তো, পেস বোলিং কোচ হওয়ার লড়াইয়ে আবারও এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ সবার চেয়ে এগিয়ে।

প্রথম প্রেম, শেষ ভালবাসা। প্রিয়তমার চোখের কাজলও শুকিয়ে যেতে পারে। কিন্তু, অ্যালান ডোনাল্ডের আবেদন যেন শেষ হবার নয়। অন্তত বাংলাদেশ দলে, বা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি)। তাই তো, পেস বোলিং কোচ হওয়ার লড়াইয়ে আবারও এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ সবার চেয়ে এগিয়ে।

এ যেন ক্রিকেট মাঠে কোচ-শীষ্যের ভালবাসার অনবদ্য এক গল্পগাঁথা। প্রেম কি শুধু হৃদয়ে ঝড় তোলে? প্রেম ক্রিকেটের সবুজ মাঠেও এক অদৃশ্য টান হয়ে জন্ম নেয়। একটা সম্পর্ক, যা হয়তো একসময় শেষ হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত থেকে যায়। অ্যালান ডোনাল্ড বাংলাদেশ ক্রিকেটে তেমনই এক চরিত্র।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের পেস বোলিং কোচের খোঁজ চলছে। আন্দ্রে অ্যাডামসের সঙ্গে পথচলা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না, তাই বিসিবি নতুন কাউকে চাইছে। তালিকায় বেশ কয়েকটি নাম — অস্ট্রেলিয়ার শন টেইট, পাকিস্তানের উমর গুল। কিন্তু তারপরও একটাই নাম ঘুরেফিরে বারবার আসে—অ্যালান ডোনাল্ড!

এ যেন এক অসমাপ্ত প্রেমের গল্প। প্রথম দেখায় মন জিতে নেওয়া সেই মানুষটাকে ফিরে পাওয়ার আকুলতা। প্রথম প্রেম কি কখনো ভোলা যায়? ডোনাল্ড এসেছিলেন, বাংলাদেশ পেস আক্রমণকে বদলে দিয়েছিলেন। তিনি স্পেল বুনেছিলেন শুধু ২২ গজে নয়, পেসারদের আত্মবিশ্বাসেও। তাসকিন-এবাদতদের কাঁধে হাত রেখে ফিসফিসিয়ে বলে গেছেন, ‘তোমরা পারবে!’

তার সেই হাত রাখার শক্তিটুকু আজও টের পাওয়া যায় বাংলাদেশের পেস আক্রমণে। বিসিবিও বুঝেছে, এই প্রেমের গল্প শেষ হয়নি। তাই হয়তো ডোনাল্ডের নাম উচ্চারিত হয় যতবার নতুন কোচ খোঁজা হয়। তাসকিনরা আজও তাকে মিস করেন। তিনিও নিয়মিত খোঁজ রাখেন বাংলাদেশের পেসারদের। প্রেমের সম্পর্ক তো এমনই হয়—দূরত্ব বাড়লেও টানটা কখনো কমে না।

ডোনাল্ড কি ফিরবেন? প্রিয়তমাকে ফিরে পাওয়ার গল্প কি নতুন করে লেখা হবে বাংলাদেশ ক্রিকেটে? কে জানে! তবে ভালোবাসা যখন সত্যি হয়, তখন ফিরে আসাটা সময়ের অপেক্ষা মাত্র। ক্রিকেটের প্রেমিক বাংলাদেশ, আর তার অমর প্রেম অ্যালান ডোনাল্ড — এ প্রেম কি শেষ ভালোবাসায় বদলে যাবে, পূর্ণতা আসবে নতুন সম্পর্কে? প্রশ্নগুলোর জবাব দেবে সময়।

লেখক পরিচিতি

সম্পাদক

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link