দলবদলের বাজার গরম করছেন আলভারেজ!

বর্তমানে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য হুলিয়ান আলভারেজ। জাতীয় দলে নিয়মিত প্রথম একাদশে দেখা যায় এই ফরোয়ার্ডকে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলে থাকেন তিনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের সাথে চার বছরের চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন এই আর্জেন্টাইন। ধারণা করা হচ্ছে সিটি থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুজছেন তিনি।

একটি সূত্রের মতে, আলভারেজ ম্যানচেস্টার সিটিতে একটি নতুন চার বছরের চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ শুরু করতে আগ্রহী। চেলসি এবং প্যারিস সেন্ট জার্মেইন উভয়ই বিশ্বকাপ জয়ী এই খেলোয়াড়ের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে তাঁকে ইতিহাদ থেকে নিতে কমপক্ষে ৭০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করতে হবে তাঁদের।

২০২২ সালে নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার হাল্যান্ডের সাথে সিটিতে যোগ দেন আলভারেজ। তবে গোল মেশিন হাল্যান্ডের জন্য নিয়মিত প্রথম একাদশে সুযোগ মেলেনা  তাঁর। তাই পেপের দ্বিতীয় পছন্দ স্ট্রাইকার হিসেবে সিটিতে অবস্থান করতে হয় তাঁকে। । তবে সুযোগ পেলেই নিজের প্রতিভার প্রদর্শন করেছেন  আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ড। তবে হাল্যান্ডের মতো নিয়মিত গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। ফলে দলের প্রথম একাদশে নিজের জায়গা করে নিতে পারেননি আলভারেজ।

মাত্র ২৪ বছর বয়সে আলভারেজ বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা, প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নস লিগ, এফএ কাপ এবং লিগ কাপ জিতেছেন। গত মৌসুমে সিটির হয়ে ৫৪ টি ম্যাচে তিনি ৩২টি গোলে অবদান রেখেছেন। তবুও দলে হাল্যান্ডের মতো প্রভাব ফেলতে পারেননি আলভারেজ।

প্রতিভার কমতি নেই এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের মাঝে। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তা তিনি নিয়মিত দেখিয়েছেন। তবে বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সেরা গোল স্কোরারের বিপরীতে সিটিতে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করতে পারেননি আলভারেজ। তবে অন্য কোনো ক্লাবে খেললে হয়তো নিয়মিত প্রথম একাদশেই থাকতেন তিনি। তাই তো সিটির চার বছরের নতুন চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।

যদিও আলভারেজকে হারানো সিটির জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে। তিনি হাল্যান্ড বা কেভিন ডি ব্রুইনার মতো দলের বড় তারকা না  হলেও, পেপ গার্দিওলার অধীনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ২০২২ সালে সিটিতে আসার পর থেকে বিকল্প হিসেবে হাল্যান্ডের অনুপস্থিতি বুঝতে দেননি তিনি। যার ফলে প্রিমিয়ার লিগে সিটির আধিপত্য বিরাজমান ছিল।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link