চার নম্বরে থ্রিডি ক্রিকেটার না প্রয়োজন একজন ব্যাটার

চার নম্বরে একজন প্রোপার ব্যাটারই প্রয়োজন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রেয়াস আইয়ার সে বিষয়টিই প্রমাণ করলেন। আর তাতেই যেন আম্বাতি রাইডুর চোখে ভেসে উঠল তার সাথে ঘটে যাওয়া বৈষম্যের স্মৃতি।

চার নম্বরে একজন প্রোপার ব্যাটারই প্রয়োজন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রেয়াস আইয়ার সে বিষয়টিই প্রমাণ করলেন। আর তাতেই যেন আম্বাতি রাইডুর চোখে ভেসে উঠল তার সাথে ঘটে যাওয়া বৈষম্যের স্মৃতি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচে শুরুতেই বিপাকে পড়েছিল ভারত। মাত্র ৩০ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে যায় রোহিত শর্মার দল। সেখান থেকে দলকে পরিত্রাণ এনে দেন শ্রেয়াস আইয়ার। অক্ষর প্যাটেলের সাথে জুটি গড়ে তোলেন তিনি।

৯৮ রানের সেই জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। আইয়ারের ৭৯ রানের উপর দাঁড়িয়ে ভারত পায় লড়াই করবার সমস্ত শক্তি। এই বিষয়ে রাইডু বলেন, ‘এখানে চার নম্বর ব্যাটারের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এখানেই ওয়ানডে ক্রিকেটে চার ও পাঁচ নম্বর ব্যাটার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শ্রেয়াস দূর্দান্ত একটা ইনিংস খেলেছে, তার সাথে অক্ষরের জুটিটাও ছিল গুরুত্বপূর্ণ।’

আর এই বক্তব্যের মাঝেই সম্ভবত লুকিয়ে আছে রাইডুর বহুদিনের জমিয়ে রাখা আক্ষেপ। ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ভারত দলের চার নম্বর ব্যাটারের দৌড়ে ছিলেন রাইডু। বিশ্বকাপেও তার সেই পজিশনেই খেলার কথা ছিল। কিন্তু হুট করেই তার পরিবর্তে বিজয় শঙ্করকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বিজয়ের সংযুক্তির পক্ষে সে সময়ের হেডকোচ রবি শাস্ত্রি বলেছিলেন বিজয় ‘থ্রিডি ক্রিকেটার’। মূলত বিজয় ছিলেন একজন অলরাউন্ডার। ব্যাটিং-বোলিং দুইয়ের মিশেলে তার উপর প্রত্যাশা ছিল ব্যাপক। কিন্তু প্রত্যাশার ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেননি বিজয় শঙ্কর।

তিন ম্যাচে ভারতের একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সেই তিন ম্যাচে মোটে ৫৮ রান সংগ্রহ করেছেন। উইকেট পেয়েছেন মাত্র দুইটি। কাজের কাজ কিছুই যে তিনি করতে পারেননি- সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এই পারফরমেন্স দেখে নিদারুণ হতাশ হওয়ার কথা আম্বাতি রাইডুর।

তিনি যে সে সময় হতাশ হয়েছিলেন, একটা আক্ষেপ-ক্ষোভ নিজের মধ্যে পুষে রেখেছিলেন, সেটাও আন্দাজ করে নেওয়া যায়। নতুবা চার নম্বরে একজন প্রোপারের ব্যাটারের গুরুত্বকে এতটাও প্রাধান্য এখন তার দেওয়ার কথা নয়। যদিও এক থেকে চার, হওয়াই চাই প্রোপার ব্যাটার- এই নীতি যথার্থ।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link