লো স্কোরিং ম্যাচটাও শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির জন্ম দিল। যেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে জয়ের হাসি চট্টগ্রাম রয়্যালসই হাসল। ভাগ্যের সহায়তা, একতা, সঙ্গে আত্মবিশ্বাস পুঁজি করে দলটা যেন অপ্রতিরোধ্য। অন্যদিকে আপ্রাণ চেষ্টা করেও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের সঙ্গী হলো দুই উইকেটের পরাজয়।
এদিন টস কয়েনটা পড়ল চট্টগ্রামের পক্ষেই। শেখ মেহেদী ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিলেন। সেটা যে ভুল ছিল না তার প্রমাণ পাওয়া গেল শুরু থেকেই। রাজশাহী হয়ে আগের ম্যাচে ফিফটি করা মোহাম্মদ ওয়াসিম সাজঘরে দ্রুতই ফিরলেন। তানজিদ তামিম কিংবা নাজমুল হোসেন শান্তও ব্যর্থতা সঙ্গে করে ফিরলেন সাজঘরে।
১০ ওভারে ৬৪ রানের বিনিময়ে চার উইকেট হারানো দলটাও পরের ১০ ওভারে করলো ওই ৬৪ রানই। শরিফুল-তানভিরদের বোলিং তোপের সামনে হাত খোলার সাহসই পায়নি রাজশাহীর ব্যাটাররা। শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস থামে ১২৮ রানে।

স্কোরকার্ড দেখে মনে হতে পারে চট্টগ্রামের জন্য সহজ লক্ষ্যমাত্রা। অবশ্য যে ছন্দে তারা রয়েছে সে অর্থে ১২৯ রান আর এমনকি। তবে পাওয়ার প্লেতে হারিয়ে চার উইকেট হারিয়ে হারতে বসে চট্টগ্রাম।
অ্যাডাম রসিংটন কিংবা নাইম শেখ ব্যর্থ হলেন আজ। দলের বিপর্যয়ে শেষমেশ হাল ধরলেন হাসান নওয়াজ। যোগ্য সঙ্গ দিলেন কাপ্তান মেহেদী। দুজনের ৪০ রানের জুটিতে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে তারা। এরপর আসিফ আলীর সঙ্গে আরও ৩৫ রান যোগ করেন নওয়াজ। তখনও অবশ্য জয়ের লাগাম নিজেদের হাতে ধরতে পারেনি চট্টগ্রাম।
শেষ তিন ওভারে দরকার ছিল ২৪ রান। তখনও রাজশাহীর সুযোগ ছিল। তবে মুশফিকুর রহিমের সহজ রানআউট মিস হওয়ায় ম্যাচটাই হাতছাড়া হয়ে যায়। শেষ বলের নাটকীয়তায় দুই উইকেট হাতে রেখে জয় পায় চট্টগ্রামই।

Share via:











