চলতি প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে অবশেষে প্রথম হারের স্বাদ পেল এঞ্জো মারেস্কার ম্যানচেস্টার সিটি। ভিলা পার্কে অনুষ্ঠিত উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে সিটিজেনদের ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে অ্যাস্টন ভিলা। সেনেগালিজ ফরোয়ার্ড নিকোলাস জ্যাকসনের দুর্দান্ত জোড়া গোল ধসিয়ে দিয়েছে সিটির রক্ষণভাগকে।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় উনাই এমরির দল। অধিনায়ক জন ম্যাকগিনের বাড়ানো পাস ধরে সিটির হাই-লাইন ডিফেন্স চিরে বের হয়ে যান জ্যাকসন। বক্সের বাম দিক থেকে কোনাকুনি শটে বল পোস্টে পাঠালে পরাস্ত হন সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোন্নারুম্মা।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের ৫২তম মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরায় ম্যানচেস্টার সিটি। ইলিমান এনদিয়ায়ের অ্যাসিস্ট থেকে লক্ষ্যভেদ করেন নরওয়েজিয়ান তারকা আর্লিং হাল্যান্ড।

তবে সিটির এই আনন্দের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র আট মিনিট। ৬০তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় ইব্রাহিম এমবায়ের বাড়ানো পাস বক্সের মাঝখানে পান জ্যাকসন। সিটির দুই সেন্টার-ব্যাককে এড়িয়ে ডান পায়ের ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে বল পোস্টের মাঝখান দিয়ে জালে পাঠান তিনি। শেষ পর্যন্ত ২-১ স্কোরেই স্মরণীয় জয় নিশ্চিত করে ভিলা।
ম্যাচে এঞ্জো মারেস্কার সিটির আক্রমণাত্মক ৪-২-৩-১ ফর্মেশন এবং হাই-লাইন ডিফেন্স কৌশলকে চমৎকারভাবে কাজে লাগিয়েছে অ্যাস্টন ভিলা। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে মারেস্কার ডিফেন্সে হাই-লাইন ধরে রাখার প্রবণতাকে ফাঁকি দেন জ্যাকসন। সেন্ট্রাল চ্যানেল থেকে জন ম্যাকগিনের বাড়ানো থ্রু বল পাওয়ার আগেই জ্যাকসন বাম দিক থেকে ইনসাইড-রান নিয়ে বক্সে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে নেন।
দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রে ছিল দ্রুত কাউন্টার ট্রানজিশনের খেলা। মিডফিল্ডে বল রিকভার করার পরপরই ইব্রাহিম এমবায়ে ফাঁকা সেন্ট্রাল স্পেসে দ্রুত বল বাড়িয়ে দেন। সিটির ব্যাকলাইনের পজিশনিং অগোছালো থাকায় জ্যাকসন বক্সে বল পেয়ে শট নেওয়ার মতো যথেষ্ট সময় ও স্পেস তৈরি করতে সক্ষম হন।

এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে টানা সাত জয়ের পর অবশেষে পরাজয়ের স্বাদ বরণ করলো হাল্যান্ড-চেরকিরা। যদিও সাত ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষেই অবস্থান করছে ম্যানচেস্টার সিটি।











