হেসেখেলেই ভারতকে হারাল অস্ট্রেলিয়া!

মেলবোর্নে চলল অস্ট্রেলিয়ার একক শাসন। ব্যাটে-বলে তারা আধিপত্য দেখাল সমান তালে। বল হাতে ভারতকে গুড়িয়ে দেওয়ার পর ব্যাট হাতে চলল স্বাগতিকদের তাণ্ডবলীলা, ভারতকে স্রেফ সাদামাটা দল বানিয়েই জিতল তারা।

মেলবোর্নে চলল অস্ট্রেলিয়ার একক শাসন। ব্যাটে-বলে তারা আধিপত্য দেখাল সমান তালে। বল হাতে ভারতকে গুড়িয়ে দেওয়ার পর ব্যাট হাতে চলল স্বাগতিকদের তাণ্ডবলীলা, ভারতকে স্রেফ সাদামাটা দল বানিয়েই জিতল তারা।

এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় অস্ট্রেলিয়া। তবে সফরকারীরা আজ যেন ছন্নছাড়া, জশ হ্যাজেলউডের বোলিং তোপে একেবারেই দিশেহারা। সাথে যোগ দিলেন নাথান এলিস, আর তাতেই ব্যাটিং অর্ডার ভেঙে গেল তাসের ঘরের মতো। ৪৯ রানেই ভারত পাঁচ উইকেট হারাল।

এক প্রান্তে যখন সবাই সাজঘরে ফেরার তোড়জোড় করছে, অন্য প্রান্তে তখনও বিশ্বাসের দেয়াল তুলে দাঁড়িয়ে ছিলেন অভিষেক শর্মা। কোনো কিছুতেই তাঁর ভ্রুক্ষেপ নেই, অজি বোলারদের চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছেন। ভয় ধরানো বলগুলো পাঠিয়েছেন সীমানার বাইরে।

মাঝের সময়টাতে হার্ষিত রানাকে পেয়েছিলেন নির্জন দ্বীপের সঙ্গী হিসেবে। ৩৫ রান করে ভরসা জুগিয়েছেন অভিষেককে। আর শেষটাতে অভিষেক থেমেছেন ৩৭ বলে ৬৭ রান করে। দলের স্কোরবোর্ডে ১২৫ রান তুলে দিয়েই ফিরেছেন তিনি। বাকিরা একজনও এক অঙ্কের ঘর পেরোতে পারেননি।

তবে ১২৬ রানের লক্ষ্যটা যে অস্ট্রেলিয়ার আভিজাত্যে মোড়া ব্যাটিং অর্ডারের সামনে একেবারেই নস্যি। মিচেল মার্শ আর ট্রাভিস হেড তা প্রমাণের জন্য উঠে-পড়ে লাগলেন শুরুতেই। ৪.৩ ওভারেই তুলে নিলেন ৫১ রান। হেড ফিরলেও কাপ্তান মার্শ চললেন বজ্রগতিতে। শেষটাতে যখন ৪৬ রান করে কুলদ্বীপের হাতে ধরা দিলেন, ততক্ষণে জয়ের পাল্লাটা একেবারেই ঝুঁকে পড়েছে অজিদের দিকে।

যদিও শেষদিকে ভারতের মরণকামড় আসে। অসময়ে ম্যাচটা জমিয়ে দিতে চেয়েছিলেন জাসপ্রিত বুমরাহ। তবে সেটা কেবলই ভারতের জন্য এক সান্ত্বনা। চার উইকেটের সাথে ৪০ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে তরি ভেড়ায় স্বাগতিকরা।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link