পাকিস্তানের সামনে অসহায় অস্ট্রেলিয়া!

আবরার আহমেদের জাদুকরি বোলিং, সায়িম আইয়ুবের অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স, তাতেই কুপোকাত অস্ট্রেলিয়া শিবির। পাকিস্তান কোনো সুযোগই দিল না সফরকারিদের। ডেকে এনে একেবারে টুটি চেপে ধরল প্রথম ম্যাচেই।

আবরার আহমেদের জাদুকরি বোলিং, সায়িম আইয়ুবের অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স, তাতেই কুপোকাত অস্ট্রেলিয়া শিবির। পাকিস্তান কোনো সুযোগই দিল না সফরকারিদের। ডেকে এনে একেবারে টুটি চেপে ধরল প্রথম ম্যাচেই।

অস্ট্রেলিয়ার সামনে লক্ষ্যটা ছিল ১৬৯ রানের। পরিচিত কিছু নাম না থাকলেও দলটা শক্তির বিচারে কোনো অংশে কম নয়। তবে ঘরের মাঠ পাকিস্তানের। সেই সুযোগটাই যেন কাজে লাগাল তারা।

২৮ রানের মাথায় দুই ওপেনারকে তুলে নেন সায়িম। ট্রাভিস হেড ২৩ রান করে মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠছিলেন। তবে সায়িমের বোলিং সত্তা জেগে ওঠে। ক্যামেরুন গ্রীন হাল ধরলেও সুবিধা করে উঠতে পারেননি। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং একেবারেই কোণঠাসা করে রেখছিল তাদের। যার কেন্দ্রীয় চরিত্রে আবরার।

চার ওভার বল করেছেন, খরচা করেছেন মোটে ১০ রান। নামের পাশে দুই উইকেট, যদিও সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারত। তবে কৃপণ বোলিং একপ্রান্তে চাপ বাড়িয়েই একেবারে নিশেষ করে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়াকে। শেষমেষ ১৪৬ রানেই থেমে যায় অজিরা। পাকিস্তান ম্যাচ বাগিয়ে নেয় ২২ রানে।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। শুরুতেই শাহিবজাদা ফারহানকে হারালেও ক্ষতি পুষিয়ে দেন সালমান আলি আঘা এবং সায়িম আইয়ুব। বাবর আজমের ফর্মে ফেরার আভাস দিলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি আর। তবে দলগত পারফরম্যান্সেই স্কোরবোর্ডে পর্যাপ্ত রান তোলে স্বাগতিকরা।

বিশ্বকাপ প্রস্তুতির শুরুটা শুভ হলো পাকিস্তানের জন্য। সিরিজ জয়ের হাতছানি উকি দিচ্ছে তাদের সামনে। বিশ্বকাপের আগে যা আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে বাবরদের।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link