বাবরের প্রত্যাবর্তনে ছাটাই তালিকায় তিন নাম!

এশিয়া কাপে ব্যাট হাতে একেবারেই সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। ফাইনাল পর্যন্ত দলটির ব্যাটাররা রান তুলেছেন মাত্র ২০.৩৯ গড়ে। আর সামগ্রিক স্ট্রাইক রেট দাঁড়িয়েছে ১২৩.৮৪। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানের ব্যাটিং ব্যর্থতার তীর ছুটছে নির্বাচকদের দিকে। আর সেখানেই নতুন করে জোরালো হচ্ছে বাবর আজমকে ফেরানোর আলোচনা।

এশিয়া কাপে ব্যাট হাতে একেবারেই সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। ফাইনাল পর্যন্ত দলটির ব্যাটাররা রান তুলেছেন মাত্র ২০.৩৯ গড়ে। আর সামগ্রিক স্ট্রাইক রেট দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২৪। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানের ব্যাটিং ব্যর্থতার তীর ছুটছে নির্বাচকদের দিকে। আর সেখানেই নতুন করে জোরালো হচ্ছে বাবর আজমকে ফেরানোর আলোচনা।

স্ট্রাইক রেটের জন্যই বাবরকে এশিয়া কাপ স্কোয়াডে রাখা হয়নি। তবে বিশ্বকাপের আগে এমন ব্যাটিং ধস পাকিস্তানকে ভাবাচ্ছে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে বাবর আজমকে ফেরানোই হতে পারে চূড়ান্ত সমাধান। কেননা, এই ফরম্যাটে বাবরের অতীত পরিসংখ্যানই বলে দেয় তিনি এখনো পাকিস্তানের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটারদের একজন। তবে বাবর ফিরলে জায়গা হারাতে হবে কাউকে। আর সেখানেই শুরু হয়েছে হিসাব-নিকাশ।

বাবর টপ অর্ডার ব্যাটার। তাই তো তাঁকে ফেরাতে হলে এই পজিশনে কাউকে জায়গা ছাড়তে হবে। সেক্ষেত্রে প্রথম নামটা হতে পারেন সায়িম আইয়ুব। এশিয়া কাপে ছয় ইনিংস মিলে রান করেছেন মাত্র ২৩। এমনকি চারবার শূন্য রানেই ফিরেছেন এই ব্যাটার। যদিও বল হাতে অবদান রাখছেন তবে টপ অর্ডারে এমন ব্যর্থতা চোখে পড়ছে খুব বেশি। শাহিবজাদা ফারহান আর ফখর জামান ভালো করায় সায়িম আইয়ুবকে হারাতে হতে পারে স্থান।

পরের নামটা সালমান আলী আঘা। পাকিস্তানের অধিনায়ক হয়েও ব্যাট হাতে তিনি এখনও তেমন কোন অবদান রাখতে পারেননি। অধিনায়ক হিসেবে ২৯ ম্যাচে রান করেছেন মাত্র ২৪ গড়ে, আর স্ট্রাইক রেট ১১০। এশিয়া কাপে এখন পর্যন্ত ছয় ইনিংসে করেছেন ৬৪ রান। আগ্রাসী ক্রিকেটের বার্তা দিলেও তা দেখাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে বাবরকে জায়গা দিতে বিদায় নিতে হতে পারে তাঁর।

খুশদিল শাহকে নিয়ে আছে সংশয়। অলরাউন্ডার হিসেবে দলে সুযোগ পেলেও আশা জাগানিয়া পারপরম্যান্স দেখাতে পারেননি তিনি। ব্যাট হাতে ৩৮ ম্যাচে ৪৩৪ রান করেছেন, স্ট্রাইক রেট যেখানে ১০৪। আর উইকেট তুলেছেন মাত্র ছয়টি। এশিয়া কাপে এক ম্যাচ খেলে করেছেন চার রান। কার্যকর কোন  ভূমিকা না থাকায় তাঁরও জায়গা হারাতে হতে পারে।

তবে এখানেই শেষ নয়, আলোচনায় আছে আরও কিছু নাম। তাদের মধ্যে আছেন হাসান নাওয়াজও। শেষ আট ইনিংসে তাঁর সংগ্রহ ১১০ রান, গড় ১৩.৭৫। তবে তাঁর স্ট্রাইক রেট ১৫৮, আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার মানসিকতা আছে বলেই নির্বাচকরা তাকে আরেকটু সময় দিতে পারেন।

সব মিলিয়ে বাবর আজমের প্রত্যাবর্তন এখন সময়ের দাবি বলেই মনে হচ্ছে। পাকিস্তানের ভঙ্গুর ব্যাটিং লাইনআপে তার উপস্থিতি আনতে পারে স্থিতি ও অভিজ্ঞতা। তবে বাবরের ফেরাটা যেমন সুখবর, তেমনি কার জায়গায় তিনি ফিরবেন সেটিই এখন পাকিস্তানি ক্রিকেট মহলে সবচেয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link