রিশাদ, উই নিড ইউ

টিম ম্যানেজমেন্ট সদ্য অভিষেক ঘটা একজনকে বাদ দিতে গিয়ে একটু বিপাকেই পড়বে। তবে তানভির ও রিশাদ দুইজনকেই একাদশে দেখা গেলে খুব একটা অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

নেট অনুশীলনের শুরুতে, রিশাদ হোসেন কেবলই বল হাতে নিয়েছেন। এমন সময়ে পারভেজ হোসেন ইমন বলে উঠলেন, ‘রিশাদ উই নিড ইউ’। এই সরল বাক্যে নেই কোন ভিন্ন মানে। রিশাদকে বাংলাদেশ দলের আসলেই ভীষণ প্রয়োজন।

সাময়িক অসুস্থতার কারণে রিশাদ হোসেন খেলেননি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ। দলের বোলিং বৈচিত্র্যে দারুণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল সেটি। যদিও তাসকিন আহমেদের দারুণ বোলিংয়ে স্বল্প রানেই লঙ্কানদের আটকে ফেলতে পেরেছিল বাংলাদেশ।

তবুও কোথাও একটা ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে বটে। মেহেদী হাসান মিরাজের অফফর্ম ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। এমন পরিস্থিতিতে রিশাদের দলে ফেরা অন্তত স্বস্তি জোগাচ্ছে। বল হাতে তিনি আলাদা একটা মাত্রা যোগ করতে পারবেন নিঃসন্দেহে। তাছাড়া সময়ের সাথে সাথে স্লো হওয়া উইকেটে, ফ্লাইটেড টার্ন আদায় করতে পারলে রিশাদ হয়ে উঠতে পারেন লঙ্কানদের ত্রাস।

তাছাড়া রিশাদের অন্তর্ভুক্তি দলের ব্যাটিং অর্ডারের গভীরতাও বৃদ্ধি করে। শ্রীলঙ্কা দলের অন্যতম সেরা বোলার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে রিশাদের খেলা ইনিংসটি নিশ্চয়ই এত দ্রুত মলিন হয়ে যায়নি। নিজের দিনে তিনি প্রতিপক্ষের সেরা বোলারকে নাস্তানাবুদ করে দিতে পারেন অনায়াসে।

মোদ্দাকথা রিশাদ হোসেন একটা প্যাকেজ। তার বোলিং যেমন আলাদা মাত্রা যুক্ত করে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে, ঠিক তেমনি তার ব্যাটিং দলকে একটু বাড়তি সাহস জোগায়। তাছাড়া টিম কম্বিনেশন সাজাতেও সুবিধা হয়। যদিও এদফা সুবিধার চাইতে অসুবিধাই বেশি। কেননা তার পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া তানভির ইসলাম অবশ্য খুব একটা খারাপ করেননি।

টিম ম্যানেজমেন্ট সদ্য অভিষেক ঘটা একজনকে বাদ দিতে গিয়ে একটু বিপাকেই পড়বে। তবে তানভির ও রিশাদ দুইজনকেই একাদশে দেখা গেলে খুব একটা অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link