আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার ঝাল পাকিস্তানের উপর দিয়েই মেটাল বাংলাদেশ। ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি কোয়ালিফাই করার মিশনে শুভসূচনা করল মেহেদী হাসান মিরাজরা। সফরকারীদের উড়িয়ে দিল আট উইকেট এবং ২০৯ বল হাতে রেখেই।
এদিন টসে জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত আসে বাংলাদেশের তরফ থেকে। যেন আটঘাট বেঁধেই রেখেছিল মিরাজরা, পাকিস্তানকে যত দ্রুত সম্ভব গুটিয়ে ফেলাই মূল লক্ষ্য। তবে সেই লক্ষ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন পাকিস্তানের দুই অভিষিক্ত ওপেনার, শাহিবজাদা ফারহান এবং মাজ সাদাকাত। ৪১ রানের আগে কোনো উইকেট হারাতে দেননি তারা।

তবে এরপরই নাহিদ রানা দৃশ্যপটে হাজির। ধূমকেতুর মতো এসে পাকিস্তানের সাজানো ঘর লন্ডভন্ড করে দেন। ৪১ রান পর্যন্ত কোনো উইকেট না হারানো পাকিস্তান ৮২ রানেই হারিয়ে বসে নয় উইকেট। সুযোগ বুঝে মিরাজও ঝুলিতে পুরে নেন তিন শিকার। শেষমেষ পাকিস্তান থামে ১১৪ রানে। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটাই তাদের সর্বনিম্ন স্কোর।
১১৫ রানের লক্ষ্য পেয়ে বাংলাদেশ যেন তেতে উঠল। তানজিদ তামিম ব্যাট চালাতে লাগলেন টি-টোয়েন্টি মেজাজে। দলীয় ২৭ রানের মাথায় সাইফ ফিরে গেলেও বাকি কাজটা নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে করতে থাকেন তামিম। যদিও শেষ প্রান্তে এসে যবনিকা পতন ঘটে শান্তর। তবে তামিমের ৪২ বলে ৬৭ রানের ইনিংসের সুবাদে আট উইকেট হাতে রেখে অনায়াসে জয়ের বন্দরে তরী ভেড়ায় বাংলাদেশ।

প্রায় চার মাস ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে দূরে বাংলাদেশ। খেলা হয়নি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও। মনের ভেতর চাপা ক্ষোভ ছিল, সেটাই ঠিকরে বের হলো পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই। ঘরের মাঠে মিরাজরা যে কতটা ভয়ঙ্কর, তা হাড়ে হাড়ে আরও একবার টের পেল পাকিস্তান।











