ওয়ানডেতে নড়বড়ে অবস্থা বাংলাদেশের। ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি পা রাখতে পারবে কিনা, সেটাও নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়। এই সংশয় দূর করার সুযোগও বাংলাদেশের আছে। যার সূচনা হবে পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে। দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ, সাকিব আল হাসান ফিরছেন আশা করা যায়। তাতেই জেগেছে প্রশ্ন, স্কোয়াডে কারা থাকবেন কিংবা বাতিলের খাতায় নাম উঠবে কাদের?
শুরু থেকে শুরু করলে সৌম্য সরকার এবং সাইফ হাসান ওপেনিং জায়গাটা পাকাপোক্ত। সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেই মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন তারা। পাকিস্তান সিরিজেও তাই রদবদল হচ্ছে না এই জায়গায়।
ওপেনিংয়ে ব্যাকআপ অপশন ধরে রাখা হয়েছিল তানজিদ হাসান তামিমকে। তবে এবার কী? ২০২৭ বিশ্বকাপের কথা চিন্তা করে লিটন দাস ফিরতে পারেন দলে। সেক্ষেত্রে টপ অর্ডার ব্যাটারদের আধিক্যটা একটু বেশিই হয়ে যাবে। তাই তো লিটনকে জায়গা দিতে বাদ পড়তে পারেন তামিম। সেক্ষেত্রে তিন নম্বর কিংবা মিডল অর্ডার রোলের জন্য মনোনীত হতে পারেন লিটন।

নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে সংশয় থাকার কথা না, আর তাওহীদ হৃদয় বর্তমান মিডল অর্ডারের বড় ভরসা। এই জায়গায় আরও একজনের অন্তর্ভুক্তির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সাকিবের যে ফেরার কথা। বাংলাদেশের ভঙ্গুর মিডল অর্ডার তাই শক্তিশালী রূপে ফিরে আসতে পারে।
জাকের আলী ছিলেন আগের সিরিজে, তবে জায়গা হারাতে হবে তাকে। সাকিব ফিরবেন তার জায়গাতেই, সঙ্গে অফফর্মটা বড় কারণ। উইকেটরক্ষক হিসেবে নুরুল হাসান সোহানও পাকিস্তান সিরিজে টিকে যেতে পারেন। কপাল পুড়বে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের। আর ফিনিশিং রোলের দায়িত্ব সামলাতে শামীম পাটোয়ারী আছেন।
সাকিব ফেরায় অলরাউন্ডারের সংখ্যাটা বাড়ছে, মেহেদী মিরাজ, রিশাদ হোসেনদের সঙ্গে স্পিন ডিপার্টমেন্টে তানভীর ইসলামকে দেখা যেতে পারে। পেস ইউনিটও বৈচিত্র্যময়। তানজিম সাকিব, তাসকিন আহমেদদের গতি, শরিফুল ইসলামের শিকারি চোখ আর মুস্তাফিজুর রহমানের কৌশলী বোলিং বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখবে এক ধাপ।

সব মিলিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য স্কোয়াড হতে পারেঃ সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান সোহান, শামীম পাটোয়ারী, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব এবং মুস্তাফিজুর রহমান।











