মুমিনুলকেই অধিনায়ক হিসেবে চেয়েছিল বিসিবি

টেস্ট অধিনায়ক খুঁজতে গিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পছন্দের তালিকার শীর্ষে ছিলেন সাবেক এক অধিনায়ক। আপদকালীন সময়ে এর আগেও তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

নাজমুল হোসেন শান্তকে আবারও টেস্ট অধিনায়ক করা হয়েছে, এটা ইতোমধ্যেই বনে গেছে পুরনো খবর। তবে টেস্ট অধিনায়ক খুঁজতে গিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পছন্দের তালিকার শীর্ষে ছিলেন সাবেক এক অধিনায়ক। আপদকালীন সময়ে এর আগেও তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। যদিও, সেই সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক সৌরভ বিসিবির প্রস্তাবে রাজি হননি।

অধিনায়ক ইস্যুতে ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিমের সাথে বসেছিলেন বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সেখানে আরও ছিলেন সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ ও দুই বোর্ড পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক ও খালেদ মাসুদ পাইলট।

সেখানে তাঁরা মুমিনুল হককেই অধিনায়ক হিসেবে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করার পর মুমিনুল তাঁর কাঁধে টেস্ট অধিনায়কত্বের ভার নিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জয় করেছিল বাংলাদেশ।

যদিও, সেই যাত্রা দীর্ঘ হয়নি। ১৭ টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে থেকে তিন ম্যাচ জিতিয়ে বিদায় নিতে হয় মুমিনুল হককে। তাঁর জায়গাতেই সাদা পোশাকের নেতা বানানো হয় নাজমুল হোসেন শান্তকে। তবে, ওয়ানডে অধিনায়কত্ব হারানোর জের ধরে গেল শ্রীলঙ্কা সিরিজেই টেস্টের নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন শান্ত।

শান্তর সেই রেখে যাওয়া জায়গাটায় আবার ফিরতে অস্বীকৃতি জানান মুমিনুল। আপাতত তিনি ব্যাটিংয়েই মনোযোগ দিতে চান। ফলে, বিসিবির সামনে দু’টি পথ খোলা ছিল, লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ওয়ানডে নেতৃত্বের বেহাল দশা দেখে মিরাজকে আর টেস্টের দায়িত্ব দিতে কেউ আগ্রহী ছিলেন না।

অন্যদিকে লিটনের পারফরমেন্সে ধারাবাহিকতার অভাবটা স্পষ্ট। তাইতো তার উপর বাড়তি দায়িত্ব দিতে চায়নি ক্রিকেট বোর্ড। সে কারণে নাজমুল হোসেন শান্তকেই দীর্ঘ মেয়াদের অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আসন্ন আয়ারল্যান্ড সিরিজ থেকেই আবারও সাদা পোশাকের দলনেতার দায়িত্বে দেখা যাবে শান্তকে।

তবে মুমিনুল রাজি থাকলে তার কাঁধেই উঠত সে দায়িত্ব। অন্তত সংশ্লিষ্ট কর্তারা সে বিষয়েই ছিলেন ভীষণ ইতিবাচক। কেননা মুমিনুল স্রেফ একটি ফরম্যাটেই বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন। তার উপর চাপটাও তাই তুলনামূলক কম। এছাড়াও সাদা পোশাকে তিনি দেশের অন্যতম সফল ব্যাটারদের একজন। অধিনায়ক হিসেবেও মন্দ করেননি তিনি।

কিন্তু মুমিনুল একেবারে নির্ভার হয়েই খেলতে চান ক্রিকেটের বনেদী ফরম্যাটটা। যে’কটা দিন সুযোগ পাবেন- সে ক’দিন তিনি নিজের ব্যাটিং সাম্রাজ্য গড়ে যেতে চান। বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অপ্রাপ্তির অধ্যায়েও ব্যাট হাতে অন্তত একজন পথপ্রদর্শক হিসেবে থাকতে চান মুমিনুল হক সৌরভ।

লেখক পরিচিতি

সম্পাদক

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link