সেরা গোলের কারিগর যারা

চলুন দেখে নেওয়া যাক একবিংশ শতকে কোন কোন খেলোয়াড় রাজত্ব করছেন তাদের গোল এবং অ্যাসিস্টের অনুপাতের বদৌলতে।

ফুটবল ইতিহাসে এমন অনেক জনপ্রিয় খেলোয়াড় রয়েছেন যারা তাদের খেলার মাধ্যমে ভক্তদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। ফুটবল জগতের এই কিংবদন্তিরা ফুটবল খেলাকে একটি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছেন। ভক্তরা যতই তাদের খেলা দেখেন ততই তারা মুগ্ধ হন।

গোল করা আর গোল তৈরি করে দেওয়ার ক্ষমতার মাধ্যমে তারা একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। তো, চলুন দেখে নেওয়া যাক একবিংশ শতকে কোন কোন খেলোয়াড় রাজত্ব করছেন তাদের গোল এবং অ্যাসিস্টের অনুপাতের বদৌলতে।

  • লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)

লিওনেল মেসি ফুটবল জগতের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় তাতে কোন সন্দেহ নেই। মেসি যথারীতি গোল করা ও গোল করানোর তালিকাতেও রয়েছেন শীর্ষে। মেসির ক্যারিয়ারে তার গোল এবং অ্যাসিস্টের অনুপাত ১.১৩ (১২২৯ গোল/অ্যাসিস্ট)। তার এই পরিসংখ্যান অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের থেকে সবচেয়ে বেশি।

  • কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)

কিলিয়ান এমবাপ্পে বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা তরুণ তারকা। তার অত্যাধিক গতি এবং ফিনিশিংয়ের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হচ্ছে প্রতিপক্ষ। লিওনেল মেসির পরেই রয়েছে তার নাম এই তালিকায়। এমবাপ্পের গোল এবং অ্যাসিস্টের অনুপাত ১.০২ (৪৭৮গোল/অ্যাসিস্ট)।

  • আরলিং হালান্ড (নরওয়ে)

আরলিং হালান্ড আরেকজন তরুন উদীয়মান খেলোয়াড়। গোল করানোর চাইতেও অধিক মনোযোগ তার নিজে কিভাবে গোল করবেন সেদিকে। এমবাপ্পে এই তালিকায় দ্বিতীয়তে রয়েছেন এবং তৃতীয় স্থানটি দখল করে রেখেছেন হালান্ড। তার গোল এবং অ্যাসিস্টের অনুপাত ০.৯৯ (৩৩১গোল/অ্যাসিস্ট)।

  • ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ফুটবল ইতিহাসের আরেকজন অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। তিনি রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়েই গিয়েছেন, এমনকি এখনও একই কাজ করে যাচ্ছেন। লিওনেল মেসি এই তালিকার প্রথমে থাকলেও রোনালদো রয়েছেন চতুর্থ স্থানে। তার গোল এবং অ্যাসিস্টের অনুপাত ০.৯৩ (১১৬৬ গোল/অ্যাসিস্ট)।

  • নেইমার জুনিওর (ব্রাজিল)

ফুটবল বিশ্বে নেইমার জুনিওর নামটি মেসি, রোনালদোর পর সবথেকে বড়। নেইমারের ক্যারিয়ার খুবই জাঁকজমকপূর্ণ হতে পারতো। কিন্তু ইনজুরির সমস্যা তার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ালো। তবুও তার ইনজুরিতে জর্জরিত এই ক্যারিয়ারে তিনি অনেক সাফল্য অর্জন করেছেন। তার ক্যারিয়ারে গোল এবং অ্যাসিস্টের অনুপাত ০.৯০ (৬৪৭ গোল/অ্যাসিস্ট)।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link