শেফালির দীপ্তিতে ফাইনালে ভারতের গর্জন

ইনিংসের শেষটা ভারতের জন্য একটু হতাশাজনক ছিল, বিশেষ করে যখন শেষের আগের ওভারে রিচা ঘোষ আউট হয়ে যান, তখন ইনিংস এগোতে পারেনি ভারতের।

৭৮ বলে ৮৭ রানের ইনিংস। তাও আবার বিশ্বকাপের ফাইনালে। কে বলবে, শেফালি ভার্মা বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের আগ পর্যন্ত দলে জায়গাই পাননি। কিন্তু সেই হতাশাকে পেছনে ফেলে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনালে ব্যর্থ সূচনার পরও তিনি সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করেছেন নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস খেলে—নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের ফাইনালে।

আর তাঁর ইনিংসে ভর করেই বিশ্বকাপ ফাইনালে বোর্ডে বিশাল স্কোর জড়ো করে ভারত। শেফালির সাথে যোগ হয় দীপ্তি শর্মার হাফ সেঞ্চুরি। শেষের দিকে রিচা ঘোষ ২৪ বলে ৩৪ রান করে। যার ফলে, ৫০ ওভার শেষে সাত উইকেট হারিয়ে করে ২৯৮ রান। বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চে এটা মেয়েদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।

স্মৃতি মান্দানার সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে শেফালি ভার্মা ভারতকে দারুণ সূচনা এনে দেন। মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত ফাইনালে এই জুটি প্রথম উইকেটে যোগ করেন ১০৪ রান। দুই ওপেনারের কার্যকর ব্যাটিংয়ে প্রথম দশ ওভারেই উল্লাসে মুখর হয়ে উঠেছিল ভারতের গ্যালারি।

পুরো ইনিংস জুড়েই শেফালির স্ট্রাইক রেট ছিল ১০০-এর ওপরে। অবশেষে ২৮ তম ওভারে মিড-অফের উপর দিয়ে বল তুলতে গিয়ে তিনি আউট হন ৭৮ বলে ৮৭ রান করে। এই ইনিংসের সুবাদে শেফালি ভার্মা হয়েছেন নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে সবচেয়ে কম বয়সে হাফ সেঞ্চুরি করা ব্যাটার।

ইনিংসের শেষটা ভারতের জন্য একটু হতাশাজনক ছিল, বিশেষ করে যখন শেষের আগের ওভারে রিচা ঘোষ আউট হয়ে যান, তখন ইনিংস এগোতে পারেনি ভারতের। তার আগে অবশ্য ঘোষ নিজের ভূমিকা ভালোভাবেই পালন করেছিলেন, আর দীপ্তিও নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ইনিংস চালিয়ে যাচ্ছিলেন — যদিও শেষের দিকে সেই কাঙ্ক্ষিত ৩০০ রান আনতে পারেনি ভারত।

Share via
Copy link