বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মানেই শুধু মাঠের লড়াই নয়, মাঠের বাইরেও শুরু হয়ে যায় হিসাব-নিকাশের চাপ। বিশেষ করে বিদেশি ক্রিকেটারদের সময়মতো পাওয়া, এটাই হয়ে ওঠে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা। কারা আসবেন, কারা শেষ মুহূর্তে নাম সরিয়ে নেবেন, আবার কারা টুর্নামেন্টের মাঝপথে দল ছেড়ে যাবেন, এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই একাদশ সাজাতে হয় দলগুলোকে। শুরু হতে যাওয়া নতুন বিপিএলের আগেও সেই চেনা উদ্বেগ গ্রাস করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে।
এবারের বিপিএলে অধিকাংশ খেলোয়াড়ই পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার। তবে বিপত্তির শুরুটা এখানেই। আগামী সাত জানুয়ারি থেকে শুরু হবে এই দুই দলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। ফলে স্কোয়াডে থাকা খেলোয়াড়দের চলে যেতে হবে এর আগেই। বিপাকে পড়বে এই দুই দেশের খেলোয়াড়দের ওপর নির্ভর থাকা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।

বিদেশি খেলোয়াড়দের বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। নিলাম শেষে শক্তিশালী বিদেশিদের নিয়ে দল গড়ার পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবে পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন। এখন পর্যন্ত তাদের পাঁচ বিদেশির মধ্যে তিনজনই নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। কারণ দর্শনে শ্রীলঙ্কার ব্যাটার নিরোশান ডিকভেলা জাতীয় দলের ব্যস্ততা দেখিয়েছেন। আইরিশ ওপেনার পল স্টার্লিং নিজেই নাম সরিয়ে নিয়েছেন। ধোঁয়াশা কাটেনি লেগ স্পিনার আবরার আহমেদকে নিয়েও।
চট্টগ্রাম একা নয়, অন্যান্য দলগুলোর অবস্থাও কমবেশি একই রকম। বেশির ভাগ তারকা বিদেশি ক্রিকেটার বর্তমানে ব্যস্ত আইএল টি-টোয়েন্টিতে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই টুর্নামেন্টের লিগ পর্ব শেষ হবে ডিসেম্বরের শেষদিকে, ফাইনাল জানুয়ারির শুরুতে। ফলে বিপিএলের প্রথম ধাপে অনেক বিদেশিকে না পাওয়ার শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

অবশ্য এমন চিত্র নতুন নয়। সময়সীমার কারণে প্রতিবারই এসব হিসাব-নিকাশের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় দলগুলোকে। এবারও তার ব্যত্যয় ঘটেনি।











