২৪টা বল করে দিলেন মোটে সাত রান, বিনিময়ে বাগিয়ে নিলেন চারখানা উইকেট। বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখালেন মোহাম্মদ নবী। একা হাতেই গুড়িয়ে দিলেন কানাডার ব্যাটিং লাইন-আপ। তাতেই আফগানিস্তানও পেল ৮২ রানের বিশাল জয়।
লাভ-লসের হিসাবটা এই ম্যাচে কারোরই ছিল না। শেষ ভালো যার সব ভালো তার, এই কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে মাঠের লড়াইয়ে নামল দুই দল। টস ভাগ্য অবশ্য সহায় হয়েছিল কানাডারই। ব্যাটিং নয়, ফিল্ডিংটাই বেছে নিল তারা। আর এরপরই শুরু হয় আফগানিস্তানের শাসন।
ওপেনিংয়ে রাহমানউল্লাহ গুরবাজের সাথে জাদরানের ৪৭ রানের জুটি। গুরবাজ আক্রমণাত্মক, বিপরীতে জাদরান শান্ত নদী। তবে জুটি ভাঙার পর ইনিংস মেরামতের গুরুদায়িত্ব পড়ে জাদরানের কাঁধেই। সে দায়িত্বে একচুলও ছাড় দেননি তিনি।

৩৩ বলেই ফিফটি তুলে নেন। শতকটা হাতছানি দিচ্ছিল ঠিকই, তবে শেষটাতে তা পাওয়া হয়নি। ৯৫ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে ড্রেসিংরুমে ফেরেন, আর দলকে দিয়ে যান ২০০ রানের বিশাল পুঁজি।
এই রান চেজ করে জিততে হলে অসম্ভব রকম কঠিন পথ পাড়ি দিতে হতো কানাডাকে। তাদের সে সুযোগই দেননি মোহাম্মদ নবি। স্পিন বিষে একেবারে কাবু করে ফেলেছেন কানাডার ব্যাটিং লাইনআপকে।
চার ওভার হাতে ঘুরিয়ে সাত রান খরচায় চার উইকেট। সংখ্যাটা পাঁচে শেষ হয়ে পারত, নামের পাশে ফাইফার যুক্ত হতো যদি না সহজ ক্যাচ দস্তানা সমেত তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হতেন গুরবাজ। তবে তাতে আফসোস নেই নবীর, ততক্ষণে হাসিতেই উড়িয়ে দিয়েছেন আক্ষেপটাকে। নিজের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংটাই যে করে গেছেন ইনিংসজুড়ে। আর শেষটা রাঙিয়ে গেছে আফগানিস্তান।












