সিলেটকে হারিয়ে আবারও সেরার আসনে চট্টগ্রাম!

দুর্বার গতিতেই ছুঁটে চলছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ব্যাটে-বলে সগৌরবে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে যাচ্ছে দলটি। সিলেট টাইটান্সকে ১৪ রানে হারিয়ে সেই শক্তিমত্তার এক ঝলক দেখাল তারা। পয়েন্ট টেবিলের চ্যুত হওয়া সেরার আসন আবারও ছিনিয়ে নিল চট্টগ্রাম।

দুর্বার গতিতেই ছুঁটে চলছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ব্যাটে-বলে সগৌরবে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে যাচ্ছে দলটি। সিলেট টাইটান্সকে ১৪ রানে হারিয়ে সেই শক্তিমত্তার এক ঝলক দেখাল তারা। পয়েন্ট টেবিলের চ্যুত হওয়া সেরার আসন আবারও ছিনিয়ে নিল চট্টগ্রাম।

টসে জিতে ফিল্ডিংটাই বেছে নিলেন সিলেট কাপ্তান মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে খুবটা লাভবান হতে পারলেন না। চট্টগ্রামের ব্যাটিং অর্ডারের ধারাবাহিক সাফল্যের প্রদর্শনী আজও বলবৎ থাকল। নাইম শেখ ফিরে গেলেও অ্যাডাম রসিংটন জ্বলে উঠলেন আবারও। তাঁকে সঙ্গ দিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। দুজনের জুটি থেকে আসা রান চট্টগ্রামকে নিয়ে দাঁড় করাল শক্তপোক্ত অবস্থানের সামনে।

দুজনের বিদায়ের পর হাল ধরেন হাসান নওয়াজ। আর শেষদিকে কাপ্তান শেখ মেহেদী তোলেন ঝড়। তাঁর করা ১৩ বলে ৩৩ রানের ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রামের স্কোরবোর্ডে যোগ হয় আসরের সর্বোচ্চ ১৯৮ রান।

বড় রানের লক্ষ্য, সিলেটের যতটুকু ভালো শুরুর দরকার ছিল তার বিপরীতই হলো। দলের সেরা ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন ফিরে গেলেন দুই রান করেই। চট্টগ্রাম বোলাররা চাপের বলয়ে আটকে রাখল ব্যাটারদের। খোলস ছেড়ে বের হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তৌফিক খান তুষার, তবে ২৩ রানেই থামতে হলো তাঁকে।

পরের দৃশ্যপটে আলো কেড়ে নেন আফিফ হোসেন। হারিয়ে যাওয়ার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে নিজের সক্ষমতার উজ্জ্বল দিকটা সামনে আনেন আরও একবার। তবে ৪৬ রানে সাজঘরে ফিরে গেলে সিলেটের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসে।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় সিলেট, বাড়তে থাকে রানের চাপটাও। যেখান থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পাওয়া অসম্ভব। পরের সময়টায় অবশ্য খালেদ আহমেদ জমিয়ে তোলেন ম্যাচ। তবে তাঁর নয় বলে ২৫ রানের ইনিংসটা কেবল ব্যবধান কমিয়েছে। শেষপর্যন্ত সিলেটকে হারতে হয়েছে ১৪ রানের ব্যবধানে। সেই সঙ্গে চট্টগ্রাম আবারও আসন গাঁড়ল পয়েন্ট টেবিলের এক নম্বর পজিশনে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link