প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ বলেই নতুন ভেন্যুর অভিষেক

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি বছরের আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের পর প্রায় ২৩ বছরের বিরতি দিয়ে আবারও তাসমান সাগরের দেশে মাঠে নামতে দেখা যাবে টাইগারদের। এই সিরিজকে সামনে রেখে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট পাতায় এক চির নতুন ভেন্যু যুক্ত হতে যাচ্ছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি বছরের আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের পর প্রায় ২৩ বছরের বিরতি দিয়ে আবারও তাসমান সাগরের দেশে মাঠে নামতে দেখা যাবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

যদিও, অ্যাডিলেড, সিডনি বা ব্রিসবেন-হোবার্টের মত খ্যাতনামা ভেন্যুতে টেস্ট খেলার সুযোগ পাচ্ছে না বাংলাদেশ। এই সিরিজকে সামনে রেখে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট পাতায় যুক্ত হতে যাচ্ছে এক নতুন ভেন্যুর। বড় ভেন্যু গুলো প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ বলেই বিশ্রাম পাচ্ছে।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য নির্ধারিত এই অচেনা ভেন্যুর নাম গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনা। কুইন্সল্যান্ডের ম্যাকাই শহরে অবস্থিত এই মাঠটি হতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের ১২ তম টেস্ট ভেন্যু।

অন্যদিকে, সিরিজের প্রথম টেস্টটি হবে ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে। এই স্টেডিয়ামেরও টেস্ট অভিষেক ঘটেছিল বাংলাদেশের বদৌলতেই। ২০০৩ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরে এই ভেন্যুতেই খেলেছিল তৎকালীন বাংলাদেশ দল।

সর্বশেষ ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচ দিয়েই এই ভেন্যু টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিরতিতে যায়। প্রায় ২৩ বছর পর আবারও লাল বলের লড়াই দেখতে যাচ্ছে ডারউইনের এই স্টেডিয়ামটি।

তুলনামূলক ছোট কিংবা র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা দল বলেই সিডনি কিংবা মেলবোর্নের মত ঐতিহাসিক ভেন্যুতে না দিয়ে এই অচেনা স্টেডিয়ামগুলোতে আতিথেয়তা দেওয়া হয় বাংলাদেশকে। কম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ হওয়ার স্বাভাবিকভাবেই তেমন একটা আগ্রহ দেখায় না স্থানীয়রা। বানিজ্যিক ভাবেও বাংলাদেশের বিপক্ষে এসব ভেন্যুতে ম্যাচ আয়োজনকে লাভজনক মনে করে না ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

২০১৭ সালের পর প্রায় অর্ধযুগ বিরতি দিয়ে আবারও টেস্ট ক্রিকেটে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ। সেই সিরিজের প্রথম ম্যাচে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারানোর সুখস্মৃতি রয়েছে সাকিব-তামিমদের।

এর আগে ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেট খেলার ইতিহাস থাকলেও মাঝে কেটে গেছে প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময়। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের স্কোয়াডে থাকা খেলোয়াড়দের জন্য এ এক নতুন অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে।

ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে ১৭ আগস্ট। পরবর্তীতে ২২ আগস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ দিয়েই অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনার।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link