‘তুমি যেখানেই বল করো সেটা আমি গ্যালারিতে পাঠাবো।’ টিম ডেভিড যেন এই মন্ত্র জপে ড্রেসিংরুম থেকে মাঠে প্রবেশ করেছিলেন। অতিকায় শরীরটা নিয়ে আয়েশি মেজাজে যে ধ্বংসযজ্ঞ চালালেন সেটা শুধুই ভিডিও গেমেই সম্ভব।
ব্যাটটা নিয়ে যখন একটু একটু করে ক্রিজের দিকে ধাবিত হচ্ছিলেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর রান তখন ১৫১। বাকি ছিল ৩৫ বল, যা করার এর মধ্যেই করতে হবে।

ডেভিডের জন্য অবশ্য যথেষ্ট সময়। যেদিন নিজের মেজাজে থাকেন, সেদিন বোলাররা তাঁর সামনে নতজানু হতে বাধ্য। ক্রিকেটের বাইশ গজে তখন ঝড় ওঠে। ভাগ্যদোষে চেন্নাই সুপার কিংস এই ঝড়ের কবলে পড়েছিল আজ।
রজত পাতিদারের কাছ থেকে আগ্রাসনের মুকুট ছিনিয়ে নিয়ে নিজেই মাথায় পরে নিলেন। এরপর ধারণ করলেন রুদ্ররূপ। একেকটা বল যেন তৈরিই হয়েছে গ্যালারিতে পাঠানোর জন্য। কখনও সেটা চিন্নাস্বামীর ছাদ পেরিয়ে পড়ছে ব্যাঙ্গালুরুর রাস্তা-ঘাটে। সবাই কেবল তাকিয়ে দেখছে, পার্থক্য শুধু—সমর্থকরা বিমোহিত আর প্রতিপক্ষ অসহায়।

২৫ বলে ৭০ রান, স্ট্রাইক রেট ২৮০। ছক্কা হাঁকিয়েছেন আটখানা। বাউন্ডারি থেকেই এসেছে ৬০ রান। ভাবা যায়? দিনশেষে আরসিবির স্কোরকার্ডে এসেছে কাটায় কাটায় ২৫০ রান। অর্থাৎ ওই ৩৫ বলে আরসিবি তুলেছে ৯৯ রান, যার পেছনের কারিগর যে এই টিম ডেভিড।
Share via:











