পান্ত অ্যাপ্রোচ পাল্টালেই কি জিতে যেত ভারত?

এই প্রজন্মের অন্যতমে সেরা উইকেটরক্ষক ব্যাটার ঋষাভ পান্ত। হাতছানি আছে সর্বকালের সেরা হওয়ার। তবে, এর জন্য এই চেষ্টাগুলো জয়ে পরিণত হওয়া খুবই জরুরী, ভারতের জন্য, পান্তের জন্যও! না হলে, বারবারই ট্র্যাজিক হিরো হয়েই ক্ষান্ত দিতে হবে পান্তকে!

যখন ক্রিজে আসেন, সাজঘরে ফিরে গেছেন তিন ব্যাটার। স্কোর বোর্ডে জমা হয়েছে মাত্র ১৮ রান। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি। সেই সময় ক্রিজে তিনি, ওই অবস্থায় দ্বিতীয় বল মোকাবেলাতেই ডাউন দ্য উইকেটে এলেন, সজোরে হাঁকালেন।

বোলারের মাথার ওপর দিয়ে লফটেড স্ট্রেট ড্রাইভে ছক্কা। বোলারটা কে? আজাজ প্যাটেল, এই ইনিংসে আগের তিনটা উইকেটই যে বাঁ-হাতি স্পিনারের দখলে। আগের ইনিংসেও এই প্যাটেলের ঝুলিতে জড়ো হয়েছিল পাঁচটি উইকেট।

হ্যাঁ, ভয়ডরহীন ঋষাভ পান্ত শুরু করেছিলেন এভাবেই, তাঁর ভেলায় ভেসে শেষ রক্ষা হওয়ার অপেক্ষাতেই ছিল ভারত। তবে, পান্ত বলেই হয়তো সেটা হয়নি। কোনো সময়ই আসলে তিনি নিজেকে পাল্টাতে যাননি।

৬৪ রান করেছেন তিনি। খেলেছেন মাত্র ৫৭ বল। একটি ছক্কা আর নয়টি চার। জয় থেকে ভারত যখন মাত্র ৪০ রান দূরে তখন আউট হয়ে ফিরে যান পান্ত। যদিও, তাঁর আউট নিয়ে বিতর্ক আছে। প্রযুক্তি দিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুরো ম্যাচ জুড়ে ১৭ টি চার হাঁকিয়ে একাই তিনি উড়িয়ে গেছেন ভারতের পতাকা।

হয়ত, অ্যাপ্রোচ পাল্টালে ভারত জিতেও যেতে পারত। দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা থেকেও চাইলে বাঁচতে পারতো ভারত। কিন্তু, পান্ত তো লাগামহীন এক তলোয়ার। তাঁকে লাগামে আটকালে তিনি আর পান্ত থাকবেন কোথায়!

এই প্রজন্মের অন্যতম সেরা উইকেটরক্ষক ব্যাটার ঋষাভ পান্ত। হাতছানি আছে সর্বকালের সেরা হওয়ার। তবে, এর জন্য এই চেষ্টাগুলো জয়ে পরিণত হওয়া খুবই জরুরী, ভারতের জন্য, পান্তের জন্যও! না হলে, বারবারই ট্র্যাজিক হিরো হয়েই ক্ষান্ত দিতে হবে পান্তকে!

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link