আপাদমস্তক বিরাট কোহলির মত একজন ব্যাটার। এক রোখা, ক্লাসিক। ক্যারিয়ারের প্রোগ্রেস রিপোর্ট এখন অবধি রোহিত শর্মার মত। আকাশ সমান প্রতিভা নিয়েও ক্যারিয়ারের সূচনা লগ্নে আগুন জ্বালতে পারেননি নিয়মিত।
কিন্তু, যখন সেমিফাইনালের মঞ্চে পুরনো বারুদ আবারও জ্বালিয়ে দিতে পারলেন, তখন সেটা ধরে রাখলেন। ঠিক রোহিত শর্মার মত। আগের ম্যাচে বিরাট কোহলির মত নান্দনিক এক ম্যাচ ফিনিশিং করেছেন, সেমিফাইনালে তিনি রোহিত শর্মার মত ইনিংস গোড়াপত্তনের বিস্ফোরক ব্যাট নিয়ে নামলেন।
দ্য ডার্লিং বয় ফ্রম কেরালা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হয়ে উঠলেন ডেয়ারিং। পাওয়ার প্লে-তে একাই তুললেন ২০ বলে ৪১ রান। ছয়টি চার আর দু’টি ছক্কা। মানে, বাউন্ডারি থেকেই এল ৩৬ রান। পাওয়ার প্লে থেকে ভারত এক উইকেট হারিয়ে তুলল ৬৭ রান।

মাঝের একটা ক্যাচ মিস যেন আরও তাঁকে তাতিয়ে দেয়, তিনি হয়ে ওঠেন আরও নারকীয়। ইংলিশ বোলারদের বুকে ছুড়ি চালনোর গতি আরও দ্বিগুণ হয়। অষ্টম ওভারে লিয়াম ডসনকে ছক্কা হাঁকিয়ে পৌঁছে যান হাফ সেঞ্চুরিতে।
ঈশান কিষাণ থেকে শিভাম দুবের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলেন। সাজঘরে যখন ফিরে যান, তখন সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১১ রান দূরে। আটটি চার আর সাতটা ছক্কা মারেন। ফেরার আগে দলের ওভার প্রতি রান ১২-তে রেখে যান।
একদিন বিরাট কোহলির ভূমিকা, একদিন রোহিত শর্মার ভূমিকা – সত্যি সাঞ্জু স্যামসনের জীবন একদম বদলে গেছে। ক্যাচ মিস হওয়ার পর আরও ৭৪ রান করেন, হ্যারি ব্রুক নিজের ভাগ্য আর স্নায়ু চাপকে চাইলে দোষ দিতেই পারেন বারবার।











