বাংলাদেশকে বিদায় বললেন অ্যালান ডোনাল্ড

অ্যালান ডোনাল্ডের সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর চুক্তি ছিল ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তাই তো বিশ্বকাপের শেষ দিকে এসে ডোনাল্ডের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করা হবে কি না সেই আলোচনায় ব্যস্ত ছিল দেশের ক্রিকেটাঙ্গন। তবে সবাইকে অবাক করে নিজেই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন এই কিংবদন্তি; অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ হতে যাচ্ছে তাসকিনদের সাথে তাঁর শেষ অ্যাসাইনমেন্ট।

শিষ্যদের নিয়ে সন্তুষ্ট হলেও বিসিবির প্রতি খানিকটা ক্ষোভ রয়েছে ডোনাল্ডের মনে। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের টাইমড আউট ইস্যুতে বিসিবি যেভাবে যোগাযোগ করেছে সেটাতে মন:ক্ষুণ্ন হয়েছেন তিনি। তাই তো বাংলাদেশ ক্রিকেটকে ধন্যবাদ দিয়ে নিজের অধ্যায়ের সমাপ্তি টেনে দিয়েছেন।

একটি ইংরেজি দৈনিককে এই প্রোটিয়া কোচ বলেন, ‘আমার কাজ শেষ, আপাতত বাড়ি ফিরছি। সেঞ্চুরিয়ান পার্ক থেকে পুনে পর্যন্ত পুরো সময়টা দারুণ ছিল। এই পেস বোলিং গ্রুপ আমার বন্ধুর মতন।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না তাঁরা প্রথম দিন থেকে আমার কতটা আপন হয়ে গিয়েছিলো। ইবাদত, খালেদ আরো যে পাঁচজন এখানে (বিশ্বকাপে) আছে এদের মতোন দুর্দান্ত এক পেস বিভাগের সঙ্গে কাজ করা আমি সত্যি উপভোগ করেছি।’

ওটিস গিবসন চলে যাওয়ার পর পেস বোলিং কোচ হিসেবে টাইগার স্কোয়াডে যুক্ত হয়েছিলেন সাদা বিদ্যুৎ। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত ছিলো তাঁর দায়িত্ব। যদিও পেসাররা ভালো করায় মেয়াদ ভারত বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এরপরও হয়তো লম্বা হতে পারতো তাঁর সময়টা, কিন্তু হঠাৎ করেই বদলে গেল সবকিছু।

সাবেক এই পেসার বলেন, ‘আমি পেস আক্রমণভাগকে আরো সমৃদ্ধ করতে চেয়েছিলাম। তবে এখন সব শেষ, কিন্তু এরা সবাই আমার বন্ধু থাকবে সবসময়। আমি প্রথম দিন এসে একটা পরিকল্পনা করেছি, তাঁরা নিজেদের সেরাটা দিয়ে সেটা নিয়ে কাজ করেছে। আমি আসলেই তাঁদের নিয়ে গর্বিত, তাসকিন থেকে শুরু করে যারা আছে কাউকেই ভুলব না।’

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link