বিপিএলে এক ম্যাচে দু’বার টস!

টস নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে গেল চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। খুলনা টাইগার্স ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মধ্যকার ম্যাচে টস হল দু’বার।

দু’দলের জন্যই ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একদিনে চট্টগ্রামের এটা শেষ ম্যাচ। অন্যদিকে খুলনার হাতে এই ম্যাচ সহ মোট দুটি ম্যাচ বাকি। ম্যাচগুলো জিতে শেষ চারে যেতে মরিয়া দু’দল।

যারা জিতবে শেষ চারে ওঠার লড়াইয়ে তারাই এগিয়ে থাকবে। এমন সমীকরণে, টস করতে নামেন দুই অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় ও শুভাগত হোম। কিন্তু, শুরুতেই বিপত্তি।

বিজয় টস করলেও কয়েনটি সামনে রাখা দুই বিজ্ঞাপনী ব্যানারের মাঝে পড়ে। শুরু হয় জটিলতা। বেশ কিছুটা দ্বিধায় পড়ে যান ধারাভাষ্যকার আতাহার আলী খান এবং ম্যাচ রেফারি রকিবুল হাসান।

পরবর্তীতে সূরাহা হয়। ম্যাচ রেফারির নির্দেশে আবার কয়েন টস করেন খুলনার অধিনায়ক বিজয়। তাতেই টস ভাগ্যকে পাশে পেয়েছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক শুভাগত হোম। টস জিতে তিনি ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link