বৃষ্টি টপকে শ্রীলঙ্কাকে হারাল ইংল্যান্ড

ম্যাচের ফলাফল হওয়ার মত খেলা গড়িয়েছে মাঠে। তাইতো শেষ অবধি বৃষ্টি আইনে জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। 

শুরুতেই বৃষ্টি শেষেও বৃষ্টি। পাল্লেকেল্লের বৃষ্টির বাঁধার মধ্যে ম্যাচ গড়িয়েছে মাঠে। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ইংল্যান্ড হেসেছে জয়ের হাসি। বৃষ্টি আইনে ১১ রানের জয়ে ১-০ তে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি সিরিজটা নিজেদের সামর্থ্য আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার শেষ সুযোগ। এমন ম্যাচে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা। আগ্রাসী শুরুই করেন লঙ্কান দুই ওপেনার কামিল মিশারা ও পাথুম নিসাঙ্কা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মিশারা আউট হলে, শুরু হয় কুশল মেন্ডিসের ঝড়।

কিন্তু আদিল রশিদ লঙ্কানদের রান তোলার ছন্দে আঘাত হানেন, পাথুম ও কুশলকে আউট করে। এরপর বাকিটা সময়ে আবারও ব্যর্থ দলটির মিডল অর্ডার। অধিনায়ক দাসুন শানাকা একটা প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করবার মত পুঁজি সংগ্রহের পথেই ছিলেন। কিন্তু স্যাম কারেনের হ্যাটট্রিক সবকিছু নস্যাৎ করে দেয়।

১৭ ওভারের ম্যাচে ১৩৩ রানে অলআউট স্বাগতিকরা। আদিল রশিদ ও স্যাম কারেনের পকেটে গিয়েছে তিনটি করে উইকেট। এরপর জবাব দিতে নেমে ফিল সল্টের যেন ছিল ভীষণ তাড়া। বৃষ্টির বাঁধা আবার আসার আগেই যেন তিনি ম্যাচভাগ্য নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। তার সাথে জশ বাটলার বেশিদূর এগুতে না পারায় পরবর্তীতে একটু স্লথ করেছিলেন রান তোলার গতি।

তবে সল্টের ওই ৩৫ বলে ৪৬ রানের ইনিংসটিই ইংরেজদের জয়ের ভীত প্রস্তুত করে দেয়। সেই ভীতের উপর দাঁড়িয়ে টম ব্যান্টন ও হ্যারি ব্রুক দলকে রেখেছিলেন জয়ের পথেই। ইংল্যান্ডের জয় ছিল স্রেফ সময়ের ব্যাপার। ১২ বলে প্রয়োজন নয় রান।

ঠিক এমন সময়ে আবারও আসে অঝড় ধারায় বৃষ্টি। মাঠে নামার আশাও কেউ করেনি। ম্যাচের ফলাফল হওয়ার মত খেলা গড়িয়েছে মাঠে। তাইতো শেষ অবধি বৃষ্টি আইনে জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link