পাকিস্তানের সেমির স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দিল ইংল্যান্ড!

পাকিস্তানের সেমিফাইনালের স্বপ্ন একপ্রকার নিভে গেল। বিপরীতে ইংল্যান্ড নিশ্চিত করে ফেলল সেমিফাইনালের টিকিট। বাঁচা-মরার ম্যাচে পাকিস্তানকে পরাজয় বরণ করতে হলো দুই উইকেটের ব্যবধানে।

সেমিফাইনালের স্বপ্ন একপ্রকার নিভে গেল পাকিস্তানের জন্য। বিপরীতে ইংল্যান্ড নিশ্চিত করে ফেলল সেমিফাইনালের টিকিট। বাঁচা-মরার ম্যাচে পাকিস্তানকে পরাজয় বরণ করতে হলো দুই উইকেটের ব্যবধানে।

সেমিফাইনালে যেতে হলে জেতার বিকল্প নেই। এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পাকিস্তান টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় পাকিস্তান। আসন্ন বিপদ আচ করতে পেরেছিলেন শাহবাজাদা ফারহান, দায়িত্বটা তাই বুঝে নিলেন নিজেই।

বাকীটা সময় নিজের গল্প নিজেই লিখেছেন, একপ্রান্ত আগলে রেখেছেন। পাকিস্তানের আকাশে সমস্ত কালো মেঘ ব্যাট দিয়ে সরিয়েছেন। তাঁর ৬৩ রানের ইনিংসটায় মূলত পাকিস্তানকে দেখিয়েছে জয়ের স্বপ্ন। শেষদিকে ফখর জামান আর শাদাব খানের স্বল্প অবদানে স্কোরবোর্ডে এসেছে ১৬৪ রান।

উইকেটের অবস্থা অনুযায়ী ইংল্যান্ডের হিসাব মেলানোটা সহজ ব্যাপার নয়। সেটা আরও কঠিন করে তুললেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। ইনিংসের প্রথম বলেই ফিল সল্টকে দেখালেন সাজঘরের পথ। এরপর টানা তিন ওভারেই চলেছে তাঁর দাপট। প্রতিটা ওভারে একজন ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠিয়েছেন। ৩৫ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে ইংলিশ শিবির প্রায় ধসে পড়েছিল তখন।

সেখান থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতে থাকেন কাপ্তান হ্যারি ব্রুক। ধসে পড়া দেয়াল আবারও নতুন উদ্দীপনা নিয়ে ওঠানোর চেষ্টা করেন। একাই পাকিস্তানের বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকলেন। শতক হাঁকিয়ে ইংল্যান্ডকে জয়ের দরজায় নিয়ে এলেন। ১৯ তম ওভারে মোহাম্মদ নাওয়াজ পাকিস্তানকে শেষ আশা দেখালেও কাজের কাজ হয়নি। দুই উইকেটে ম্যাচ জিতে নিয়ে সেমির পথে হাঁটা দিল ইংল্যান্ড।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link