দ্য হান্ড্রেডে ন্যায্য সুযোগ পাবেন তো পাকিস্তানি তারকারা

ইংল্যান্ডের মাটিতে শুরু হতে যাওয়া দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্ট নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। যার কেন্দ্রবিন্দুতে ভারতের মালিকানা আর পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের আশঙ্কা, ভারতীয় মালিকানাধীন কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি হয়তো তাদের খেলোয়াড়দের উপেক্ষা করতে পারে। আর সেই শঙ্কা থেকেই সরব হয়েছে পিসিবি।

ইংল্যান্ডের মাটিতে শুরু হতে যাওয়া দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্ট নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। যার কেন্দ্রবিন্দুতে ভারতের মালিকানা আর পাকিস্তানের খেলোয়াড়রা।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের আশঙ্কা, ভারতীয় মালিকানাধীন কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি হয়তো তাদের খেলোয়াড়দের উপেক্ষা করতে পারে। আর সেই শঙ্কা থেকেই সরব হয়েছে পিসিবি।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, দ্য হান্ড্রেডের আট দলের মধ্যে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানায় রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠান, যারা একই সঙ্গে আইপিএল দলও পরিচালনা করে। এমআই ওভাল, ম্যানচেস্টার সুপারজায়ান্টস, সাউদার্ন ব্রেভ, সানরাইজার্স লিডস, দলগুলোর নামের পাশে জড়িয়ে আছে ভারতীয় কর্পোরেট প্রভাব। এখানেই পাকিস্তানের সন্দেহ, আইপিএলে যেমন ২০০৯ সালের পর থেকে তাদের ক্রিকেটারদের দেখা যায়নি, তেমনি কি একই চিত্র তৈরি হবে ইংল্যান্ডেও?

সূত্র বলছে, পিসিবি শিগগিরই চিঠি দেবে ইংল্যান্ড বোর্ডকে। দাবি একটাই, নিলামে যেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ন্যায্য ও সমান সুযোগ পান। কারণ ইসিবি নিজেই অন্তর্ভুক্তি ও সমতার কথা বলে। যদি কোনো ধরনের পক্ষপাত ঘটে, তবে তা সেই ঘোষিত নীতির সঙ্গেই সাংঘর্ষিক হবে।

সংখ্যাটা ছোট নয়। এবার নিলামে নিবন্ধন করেছেন পাকিস্তানের ৬৩ জন ক্রিকেটার, পুরুষ ও নারী মিলিয়ে। মোট ৯৬৪ জনের তালিকা থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আগে পছন্দের নাম জমা দেবে, তারপর হবে সংক্ষিপ্ত তালিকা। আর ঠিক এই জায়গাটাতেই লুকিয়ে আছে আসল প্রশ্ন, সেই প্রাথমিক তালিকাতেই কি বাদ পড়ে যাবেন পাকিস্তানি তারকারা?

তবে বাস্তবতা কঠিন। ইসিবি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিকে জোর করে নির্দিষ্ট খেলোয়াড় নিতে বাধ্য করতে পারে না। নির্বাচন পুরোপুরি দলগুলোর কৌশলগত পরিকল্পনার ওপর নির্ভরশীল। তাই বৈষম্যের অভিযোগ প্রমাণ করতে হলে লাগবে সুস্পষ্ট তথ্য, শুধু আশঙ্কা নয়।

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা দীর্ঘদিন ধরেই বাইরে আইপিএলের মঞ্চ থেকে। একই ধারা দেখা গেছে দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ টি-টোয়েন্টি লিগে, যেখানে সব দলই আইপিএলের মালিকানাধীন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টিতেও পাকিস্তানের উপস্থিতি ছিল সীমিত। দ্য হান্ড্রেডও কি কঠিন সময় অপেক্ষা করছে পাকিস্তানি তারকাদের জন্য?

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link