অস্ট্রেলিয়ার সামনে দাঁড়াতেই ভুলে গেছে ইংল্যান্ড!

ইংল্যান্ডের ড্রেসিংরুমে তখন নিশ্চয়ই ঘুরছিল ‘আর যদি’ শব্দটা। কিন্তু প্রতিপক্ষ যে অস্ট্রেলিয়া। এক মুহূর্তেই ম্যাচের লাগাম নিয়ে এলো, শেষমেষ ৮২ রানের জয় নিয়ে ১১ দিনেই অ্যাশেজ সিরিজ নিজেদের করে নিল তারা।

লক্ষ্যটা যখন ১০০–এর নিচে চলে আসলো, একটা আশা আবার উঁকি দিয়ে উঠল ইংল্যান্ড শিবিরে। তবে কি এ যাত্রায় ম্যাচটাকে বাঁচিয়ে নেওয়া সম্ভব? হাতে তখনও তিন উইকেট।

অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য ছিল পাহাড়সম ৪৩৫ রান। বেন স্টোকসের দল সেই লক্ষ্য কার্যত ‘অসম্ভব’ বানিয়ে ফেলে চতুর্থ দিনেই। ৬৩ ওভার ব্যাট করে ২০৭ রান তুলতেই পড়ে যায় ৬ উইকেট। পঞ্চম দিনের শুরুতে হাতে ছিল মাত্র চার উইকেট, আর সামনে ইতিহাসের কঠিনতম এক পাহাড়।

পঞ্চম দিনে ২২৮ রানের বাঁধা টপকাতে হলো ইংল্যান্ডকে। উইল জ্যাকসের কাঁধে গুরুদায়িত্ব, সঙ্গী হলেন জেমি স্মিথ। ৯১ রানের জুটি গড়ে আশাটা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন তখনও। তবে মুহূর্তেই সব থেমে গেল। স্মিথ ফিরে গেলেন ৬০ রান করে।

তবে স্বস্তির বিষয়, জ্যাকস তখনও উইকেটে দাঁড়িয়ে। কিন্তু মিচেল স্টার্কের শিকার হয়ে ৪৭ রান করে ফিরতে হলো তাঁকেও। তিন ঘণ্টার প্রতিরোধ, এক লহমায় ছিন্নভিন্ন। এরপর আর বেশিক্ষণ অজিদের দাপট সামলাতে পারেনি ইংল্যান্ড। ৩৫২ রানে অলআউট করে অস্ট্রেলিয়া জিতেছে টানা তৃতীয় টেস্ট। ফলে সিরিজের ফল দাঁড়াল ৩-০।

মর্যাদার লড়াইয়ে কোনো প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি ইংল্যান্ড। শুরুর টেস্ট থেকে একেবারেই ছন্নছাড়া ছিল তারা। অজিদের সামনে কেবলই অসহায় হওয়া ছাড়া কোনো পথই যেন ছিল না তাদের। এবার সামনে আরও দুই টেস্ট। অন্তত হোয়াইটওয়াশের লজ্জাটা এড়াতে চাইবে নিশ্চয়ই ইংলিশরা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link