বড় আসর এলেই কেবল ফখরকে মনে পড়ে পাকিস্তানের

সর্বশেষ ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত যে আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান। সেবার ফাইনালে অনন্য এক সেঞ্চুরি করে পাকিস্তানের শিরোপা নিশ্চিত করেছিলেন ফখর। এবারও কি পারবেন?

পাকিস্তানের মন বোঝা মুশকিল! তা না হলে কেনই বা ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের পর আর ওয়ানডে দলে জায়গা হবে না ফখর জামানের। দুয়ারে যখন আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, তখন আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে ফখর জামানকে। আর যথারীতি প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই ফখর জামান দাপটের সাথেই ব্যাট করলেন।

৩৩১ রানের স্কোর তাড়া করতে নেমে যেটা করা দরকার সেটাই করেছেন এই ওপেনার। ৬৯ বলে ক্রিজে ছিলেন। রান করেছেন ৮৪। স্ট্রাইক রেট প্রায় ১২২। অপর প্রান্তের নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতন ঘটলেও নিজের ইনিংসের ইমপ্যাক্ট পুরোটা সময় জুড়েই রেখে যান তিনি।

২০২৩ সালের বিশ্বকাপের পর অনেকটা অবিবেচকের মতই বাদ দেওয়া হয় ফখরকে। অথচ, সেই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের টপ অর্ডারে খুবই উজ্জ্বল ছিল ফখর জামানের ব্যাট। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওই বিশ্বকাপেই ১২৬ রানের অপরাজিত এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন, যাতে তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৫৫! বাংলাদেশর বিপক্ষেও ছিলেন উজ্জ্বল, খেলেন ৮১ রানের ইনিংস।

বিশ্বকাপের পর যথারীতি পালাবদল হয় পাকিস্তানের ক্রিকেটে। সেই ধারাবাহিকতায় বাদ পড়ে যান ফখর জামান। এরপর আরও অনেককেই কালক্রমে পাকিস্তান ক্রিকেটে পুনর্বাসিত করা হলেও ফখর জামানকে ডাকতে একটু বেশিই সময় নিয়ে ফেলল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

ডাক পড়ল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ঠিক আগে। উদ্দেশ্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের পতাকা ওড়ানো। সর্বশেষ ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত যে আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান। সেবার ফাইনালে অনন্য এক সেঞ্চুরি করে পাকিস্তানের শিরোপা নিশ্চিত করেছিলেন ফখর। এবারও কি পারবেন?

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link