ফাস্ট, ফাস্টার, ফাস্টেস্ট – এবং ধোনি!

সুরিয়ার পা পৌঁছানের আগেই ধোনির সেই বিদ্যুৎগতির স্টাম্পিং—চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই বেলস শূন্যে উঠে গেল। থার্ড আম্পায়ারের কাজটা শুধু আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

ফাস্ট, ফাস্টার, ফাস্টেস্ট, আর সব কিছুর ওপরে – সবার ওপরে আছেন একজন – মহেন্দ্র সিং ধোনি! কে বলবে, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ইতিহাসের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড়দের একজন তিনি। অথচ, যেভাবে সুরিয়াকুমার যাদবকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেললেন – তাতে মনে হতেই পারেন এমএসডি বয়সটাকে ধরে রাখতে পারেন। তাঁর জন্য স্কিলই সব কিছু, বয়সটা শুধু একটা সংখ্যা।

বয়স তাঁর ৪৩। কিন্তু, শরীরটা চলে ২৩ বছর বয়সী তরুণের মত। যেন অ্যানাদার ডে ইন দ্য অফিসে। যেন গেল ৩০ টা বছর ধরে এই কাজটা রোজই করে আসছেন। একাদশ তম ওভারের তৃতীয় বল। যেখানে লেখা হয়ে গেল ধোনির শ্রেষ্ঠত্ব।

আফগান ঘূর্ণি স্পিনার নূর আহমেদের বলটা একটু স্ট্যাম্পের বাইরে টার্ন করল। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদব এগিয়ে এলেন খেলার জন্য, কিন্তু, বলের ধারের কাছেও পৌঁছাতে পারলেন না! তবে, স্ট্যাম্পিং হওয়ার সুযোগ কম। কিন্তু, উইকেটের পেছনে যে অপেক্ষায় আছেন একজন বুড়ো বাঁজপাখি।

সুরিয়ার পা পৌঁছানের আগেই ধোনির সেই বিদ্যুৎগতির স্টাম্পিং—চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই বেলস শূন্যে উঠে গেল। থার্ড আম্পায়ারের কাজটা শুধু আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। ধোনি জানেন, গোটা চিপক জানে – ওটা আউট!  গোটা স্টেডিয়াম তখন একটাই সুর গাইছে – ‘ধোনি! ধোনি!’ হ্যা, চেন্নাইয়ে ধোনি একজনই। তাঁর একেকটা মুভমেন্টই মাঠকে উদ্বেলিত করতে পারে, খেলার গতি পাল্টে দিতে পারে, আজো!

Share via
Copy link