ভুয়া ডাক শুনে ক্ষেপে আগুন রিয়াদ

ঢাকা ডার্বির উত্তেজনা শুধু মাঠেই ছিলো না, ছিলো মাঠের বাইরেও। আবহানী-মোহামেডানের সমর্থকের মধ্যেও মাঠের বাইরে চলেছে কথার লড়াই। আর এই লড়াইটা মাঠেও দেখালেন রিয়াদ। শক্তিশালী দল নিয়ে শিরোপা হাতছাড়ার আক্ষেপ থেকেই বুঝি এমনটা করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের অভিজ্ঞ এই সেনানী।

গ্যালারির দেয়াল টপকে তেড়ে গেলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এতটা ক্ষিপ্ত হতে কখনো দেখা যায়নি তাকে। বিতর্কের আশেপাশেও তিনি কখনো থাকার চেষ্টা করেননি। কিন্তু এবার কি এমন ঘটল?

আবহানী -মোহামেডানের ম্যাচ মানেই উত্তাপ- উত্তেজনায় ঠাসা। আর এবার সেই উত্তাপকে আরো দ্বিগুণ করলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আবহানীর বিপক্ষে ম্যাচ হেরে গ্যালারিতে থাকা দর্শকের দিকে তেড়ে গেলেন তিনি। অলিখিত এক ফাইনাল ছিলো আবহানী-মোহামেডানের। জিতলেই শিরোপা জয়- এই সমীকরণে শেষ পর্যন্ত হারটা বরণ করতে হয়েছে মোহামেডানকে।

পুরোটা সময় মাঠে আগ্রাসন চলেছে, দুই দলের লড়াইটা হয়েছে সমানে সমান। মাঠের লড়াইয়ে মোহামেডানের ক্যাপ্টেন রনি তালুকদার হলেও, মূলত পরিচালকের ভূমিকা পালন করেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাজে ফিল্ডিংয়ে চড়াও হয়েছেন সতীর্থদের উপর, দল হেরে যাওয়াতে রাগও যেন তার হয়েছে দ্বিগুণ।

আর সেই রাগের প্রতিফলন যেন ম্যাচ শেষে দেখা গেলো। ড্রেসিরুমে যখন রিয়াদ এবং দলের সবাই ফিরে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনই গ্যালারি থেকে কেউ একজন তাকে ‘ভুয়া’ বলে চিৎকার করে। আর তা শুনেই রীতিমতো ক্ষেপে যান রিয়াদ। গ্যালারিতে উঠে সেই দর্শকের উপর চড়াও হন। শেষপর্যন্ত সবার হস্তক্ষেপে রিয়াদ নিচে নেমে আসেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন উপস্থিত থাকা সকলে।

ঢাকা ডার্বির উত্তেজনা শুধু মাঠেই ছিলো না, ছিলো মাঠের বাইরেও। আবহানী-মোহামেডানের সমর্থকের মধ্যেও মাঠের বাইরে চলেছে কথার লড়াই। আর এই লড়াইটা মাঠেও দেখালেন রিয়াদ। শক্তিশালী দল নিয়ে শিরোপা হাতছাড়ার আক্ষেপ থেকেই বুঝি এমনটা করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের অভিজ্ঞ এই সেনানী।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link