বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি নারী আম্পায়ার!

বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে যুক্ত হলো আরও একটি মহিমান্বিত অধ্যায়। আইসিসির কোনো মেজর টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো আম্পায়ারিং করতে যাচ্ছেন, বাংলাদেশের সাবেক নারী ক্রিকেটার সাথিরা জাকির জেসি। আসন্ন ২০২৫ নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করবেন জেসি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে যুক্ত হলো আরও একটি মহিমান্বিত অধ্যায়। আইসিসির কোনো বড় আসরে প্রথমবারের মতো আম্পায়ারিং করতে যাচ্ছেন, বাংলাদেশের সাবেক নারী ক্রিকেটার সাথিরা জাকির জেসি। আসন্ন ২০২৫ নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

দু’বছর আগে নজির গড়েছিলেন শরফুদ্দৌল্লা ইবনে শহীদ সৈকত। ২০২৩ সালে ভারতের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্বে ছিরেন তিন। এবার সে পথে বাংলাদেশের প্রথম নারী আম্পায়ার জেসি।

জেসি এর আগেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত নারী এশিয়া কাপ, মালয়েশিয়ায় বয়স-ভিত্তিক এশিয়া কাপ এবং মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে এবারের দায়িত্ব আরও বড় মঞ্চে, আসরটা যে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ।

জেসি বলেন, ‘অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছিলাম। অবশেষে বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেলাম। ভেবেছিলাম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ পাব। তখন পাইনি, কারণ উপরওয়ালা নিশ্চয়ই আমার জন্য বড় কিছু ভেবে রেখেছিলেন। তাই একদিনের বিশ্বকাপে সুযোগ পেলাম।’

সুযোগ পাবেন কিনা তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন জেসি। তিনি বলেন, ‘আমি ভাবিনি একদিনের বিশ্বকাপে সুযোগ পাব। গত কয়েকটা সিরিজে ভালো আম্পায়ারিং করেছি। সেই কারণেই হয়তো এই সুযোগটা পেয়েছি।’

আম্পায়ারিংয়ে যুক্ত হওয়ার আগে ক্রিকেটার ছিলেন জেসি। বাংলাদেশের হয়ে দু’টি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ছোট হলেও দীর্ঘ সময় খেলেছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে। ২০২২ সাল থেকে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ৩৪ বছর বয়সী জেসি।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট ইতিহাসে এটি এক অনন্য মাইলকফলক। খেলোয়াড়দের পাশাপাশি এখন আম্পায়াররাও বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরছে। বিশেষ করে, সাথিরা জাকির জেসির এই সাফল্য মেয়েদের জন্য আগামী দিনে সম্ভবনার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

আফগান ঘূর্ণির মায়াজালে ধরাশায়ী হবে মিরাজ-রাজারা?

তবে স্পিনের লড়াইয়ে বাংলাদেশকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দুই বছরের ওয়ানডে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের স্পিনাররা শিকার করেছেন মোট ৮২টি উইকেট। যদিও চলতি বছরে ১২ ম্যাচে স্পিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২৬ উইকেট, ২০২৫ সালে ১১ ম্যাচে রিশাদ, মিরাজ, তানভীর, নাসুমদের শিকার ছিল ৫৬ উইকেট। গত বছর বাংলাদেশের অধিকাংশ ম্যাচেই স্পিন সহায়ক উইকেট থাকলেও চলতি বছরে দলটি খেলেছে তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটে। ফলে কন্ডিশনের সহায়তা পেলে বাংলাদেশের স্পিনাররাও যে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয় নামিয়ে আনতে সক্ষম, তার ইঙ্গিত মিলছে পরিসংখ্যানেই। রিশাদ হোসেনের আক্রমণাত্মক লেগ স্পিন, মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত অফ স্পিন, তানভীর ইসলামের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনের সঙ্গে নতুন সংযোজন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বৈচিত্র্য আর কৌশলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে মরণকামড় দিতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশও।

Share via
Copy link